preload

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী একবার স্বগ ভ্রমণের সুযোগ পেলেন।যথাসময়ে তিনি স্বগ পৌছুলেন।দেখলেন পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি।কিন্তু একেক ঘড়িতে একেক সময়।অনেক চিন্তা ভাবনা করেও তিনি এর কারন বের করতে পারলেন না।

তিনি এক দেবতার কাছে জানতে চাইলেন,"আচ্ছা পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি কেন?আর একেক ঘড়িতে একেক সময়। সময় দেখার জন্য তো একটা ঘড়িই যথেস্ট।বাকি ঘড়িগুলোর কাজ কি?"

দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"এই ঘড়িগুলো পৃথিবীর একেক দেশের তথ্যমন্ত্রির জন্য বরাদ্দ।যিনি যত বেশি মিথ্যা কথা বলেন তার ঘড়ির সময় তত এগিয়ে যায়।প্রতিটি মিথ্যা কথার জন্য সময় ১৫ মিনিট এগিয়ে যায়। X( "

"হুমম" মাথা নাড়লেন তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী।"আমি কি একবার ঘড়িগুলো দেখতে পারি?"

"নিশ্চয়ই।"

ঘুরে ঘুরে ঘড়িগুলো দেখতে লাগলেন তিনি। প্রতিটি ঘড়ির ওপর তথ্যমন্ত্রির নাম আর দেশ লেখা।তিনি অবাক হয়ে দেখলেন সব দেশের
তথ্যমন্ত্রির নামে ঘড়ি আছে আর তার সময়ও এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির নামে কোন ঘড়ি নাই।একই সাথে তিনি বিস্মিত আর আনন্দিত হলেন।আর যাই হোক তার স্বামী মিথ্যাবাদী নয়।

তবুও কৌতুহল মেটাতে না পেরে তিনি দেবতাকে জিজ্ঞেস করলেন,"আমার স্বামীর জন্য কোন ঘড়ি নেই?"

দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"আছে।"

"কোথায় সেটা?"

"জিউসের ঘরে।"

"কেন?"

"আপনার স্বামীর ঘড়ির কাঁটা এতই দ্রুত ঘোড়ে যে জিউস ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করেন । B-) B-) B-)"

Read More...

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’

স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’

স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’

এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’

স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’

Read More...

একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন। সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।

তো তারা গেলেন খালেদা জিয়ার কাছে। ম্যাডাম, কাঁঠাল কোন লিঙ্গ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না। আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি। তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না।

তখন তারা গেল এরশাদের কাছে। এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঁঠাল হল পুং লিঙ্গ। কারণ কাঁঠালের বিচি আছে।

এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।

আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ? জানতে চাওয়া হল খালেদা জিয়ার কাছে। খালেদা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে। সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।

এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ। এবারও যথারীতি খালেদা জিয়া ফেলটুস। বলতে পারলেন না। অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা। তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।

Read More...

আবুল মিয়া গ্রাম থেকে শহরে নতুন এসেছেন।জীবনে এই প্রথম শহরে আসা,গা থেকে এখনও মাটির গন্ধ মুছে যায়নি।যা দেখছেন তাতেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন, আহা কি সৌন্দয।হাতে কিছু কাচা টাকা আছে।তাই সবকিছুই কিনে ফেলতে ইচ্ছে করছে।

কিন্তু না।আবুল সবকিছু কিনবে না।কারন সে ভাল করেই জানে চকচক করলেই সোনা হয় না।যা কিছু সুন্দর তা-ই যে আবুলের কাজে লাগবে এমন কোন কথা নেই।তাছাড়া এগুলো তো আর আবুলের টাকা নয়।তার ভাইজানের টাকা।ইচ্ছেমত খরচ করা যাবে না।ভাইজানকে হিসাব দিতে হবে।

ওহহো... আবুলের বড় ভাই কাবুল মিয়ার কথাতো আপনাদের বলতে ভুলেই গেছি।কাবুল মিয়া আবুলের বছর পাচেকের বড়।নকল করে কোনরকমে এস এস সি পাস করেই পাড়ি জমিয়েছে দুবাই।মাসে মাসে টাকা পাঠিয়েছে যা দিয়ে সংসার চলেছে।এখনও তার আয়েই ঘর চলছে।

তো আসল কথায় আসা যাক।কাবুল মিয়ার বয়স ত্রিশ পেরিয়ে গেছে, দুবাই আছে আজ দশ বছরের বেশি সময় ধরে।পরিবার থেকে তার আর দূরে থাকতে ভাল লাগে না, কাজ শেষে ঘরে ফিরে তারও কারও সাথে সুখ দুখের কথা বলতে ইচ্ছে করে।আবুল ভেবেছিল ভাইজান হয়তো সবাইকে দুবাই নিয়ে যাবে, বিদেশ যাবে-এই ভেবে দারুন আনন্দিত হয়েছিল সে।কিন্তু আম্মা বুঝিয়ে দিলেন এই পরিবার তো আর সেই পরিবার নয়, এই পরিবার মানে বিয়ে।

সুতরাং কাবুলের বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।কাবুলদের এখন অবস্থা ফিরেছে, তাই অনেকেই তার সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে চায়।কিন্তু কাবুল নিজে যেহেতু ডিগ্রীধারি( এস এস সি পাস) তাই তার বউও শিক্ষিত হতে হবে।গ্রামে ডিগ্রীধারি মেয়ে এক্টাই আছে, ফুলমতি- এটাও এস এস সি পাস।অতএব দুজনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেল।

কাবুল তার ছুটির তারিখ জানিয়ে দিল, বলে দিল সে কবে দেশে ফিরবে।সে হিসেবে বিয়ের তারিখ ঠিক হল।কিন্তু ঝামেলা বাধল অন্য জায়গায়।ফুলমতির বাবা জানিয়ে দিলেন বিয়ের পর মেয়েকে দুবাই নিয়ে যেতে হবে।কাবুল বলল, দুবছরের আগে সেটা সম্ভব নয়।তখন তিনি জানিয়ে দিলেন এই দুবছর মেয়েকে শহরে রাখতে হবে, নইলে তিনি মেয়ে বিয়ে দেবেন না।

ফুল্মতির বাবার দাবী মেনে নেয়া হল।

কাবুল বেশ মোটা অঙ্কের টাকা পাঠিয়ে দিল, আবুলকে দায়িত্ব দেয়া হল শহরে বাসা খোজার।আবুল বাসা খুজে বের করল, ঠিক হল বিয়ের পর ভাইয়া-ভাবী এখানেই থাকবেন।কিন্তু শুধু বাসা ভাড়া করলেই তো হবে না, সেই বাসায় থাকতেও হবে।অতএব বাসা সাজানো দরকার, বাসার জন্য আসবাব দরকার।কাজে নেমে পড়ল আবুল।

খাট-পালঙ্ক আর সোফা কেনা হয়ে গেল।লাইট আর ফ্যান বাড়িওয়ালা দেবে।আবুল ভাবতে লাগল আর কি কেনা যায়।এমন সময় এল কাবুলের ফোন।

-হ্যালো, ভাইজান কেমুন আছেন?
-ভালা।তুই?
-আমিও ভালা।
-তোর সব কাম শেষ?
-খাটপালঙ্ক কিন্যা ফালাইছি।
-আর কিছু কিনস নাই?
-আর কি লাগব কন?
-টেলিভিশন কিনছস?
-না ভাইযান।কিনুম?
-এক্ষনি কিন্যা ফালা।
-আইচ্ছা।
-আর হোন।
-কন।
-ডিশের লাই নিয়া নিবি।
-এইটা আবার কি জিনিষ?
-ডিশে সোন্দর সোন্দর পুগেরাম দেখায়।তোর ভাবী ওইগুলা পছন্দ করব।
-আইচ্ছা।

লাইন কেটে গেল।

দুই।

আজ আবুল টিভি কিনতে যাচ্ছে।রিকশা নিয়ে সোজা চলে গেল শোরুমে।ভিতরে ঢুকে পড়ল।অনেক্ষন ঘুরে ফিরে একটা টিভি তার পছন্দ হল।

এমন সময় একজন তার দিকে এল।
-স্যার।
শব্দ শুনে ঘুরে তাকাল আবুল।
-আমারে কন?
-জ্বি স্যার।আপ্নাকে কি কোনভাবে সাহায্য করতে পারি?
-হ ভাই।আমি এই টিভিটা, হাত দিয়ে দেখিয়ে বলল আবুল, কিনতাম চাই।
লোকটা অবাক হয়ে একবার টিভির দিকে আর একবার আবুলের দিকে তাকাতে লাগল।
-কি অইল? বিরক্ত হয়ে জানতে চাইল আবুল।
-স্যার আপনি কি শিওর এটাই কিনবেন?
-আরে ভাই কবার কমু এটাই কিনুম।
-আপনার কোন ভুল হচ্ছে না তো?
-না।চেচিয়ে উঠল আবুল।

লোকটার মুখে এবার হাসি ছড়িয়ে পড়ল।
-অই মিয়া, কি অইল?

লোকটা এবার হাসতে হাসতে বলল, আপনি দয়া করে বেরিয়ে যান।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না। X( X( X( X(

তিন।

পরদিন।

আবুলের মাথায় আগুন জ্ব্লছে।হারামজাদার এতবড় সাহস।নোয়াখালির লোকদের কাছে কিছু বিক্রি করবে না।দাড়া, দেখাচ্ছি মজা। বিক্রি না করে যাবে কোথায়?আমিও শালার খাটি নোয়াখাইল্যা- তোর থেকে ওই টিভি কিন্যা ছাড়ুম।

অতএব আবার সেখানে যাত্রা।

ঢুকেই এদিক ওদিক তাকাল সে।নাহ, আজকে ওখানে নতুন সেলস্ম্যান।গতকালেরটাকে দেখা যাচ্ছে না।

টিভির দিকে এগিয়ে গেল আবুল

-বাই।
-বলুন স্যার আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
- আমি ওই টিভিটা কিনতাম চাই। আঙ্গুল দিয়ে দেখাল সে।

লোকটা হতাশ হয়ে মাথা নাড়ল।
-স্যরি স্যার।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না। X( X( X( X(

চার।

এ এক বিরাট ধাধা।শহরের প্রতিটা লোকই কি নোয়াখাইল্যাদের চেনে?
কিন্তু তা কি করে হয়? নোয়াখাইল্যাদের চেনা ছাড়া কি এদের আর কোন কাজ নেই?

আবুল ঠিক করল আজ সে ছদ্মবেশে যাবে।

যেই ভাবা সেই কাজ।কাবুল গতবার আরবদের পোশাক নিয়ে এসেছিল।তাই পড়ে আর নকল দাড়ি গোফ লাগিয়ে সে যাত্রা করল।

ঢুকেই এদিক ওদিক তাকাল সে।নাহ, আজকে ওখানে নতুন সেলস্ম্যান।গত দুইদিনের একটাকেও দেখা যাচ্ছে না।

-আসসালামুয়ালাইকুম আমার মুসলিম ভাই।
সেলস্ম্যান এগিয়ে এল।
-বলুন স্যার কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
মুখে যথাসম্ভব আরবি টান এনে, আমি তুমার টিভি কিনতে চাই।
-কোনটা?
-ওইটা।আঙ্গুল দিয়ে দেখাল সে।
-হুম্ম।সেলস্ম্যান একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।স্যরি স্যার।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না।

X( X( X( X(

-কিভাবে সম্ভব?কেমনে সবাই বুঝে আমি নোয়াখাইল্যা??

-কারন একমাত্র নোয়াখাইল্যারাই ওভেন দেখে সেটাকে টিভি বলে ভাবতে পারে। B-)) B-)) B-))

আমার কথা: এটা নিছকই একটা গল্প।আমার মৌলিক গল্প না, শোনা গল্প।আমি শুধু নিজের ভাষায় লিখলাম।কাউকে হেয় করা বা কারো মনে আঘাত দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। কারও খারাপ লাগলে সেজন্য দুঃখিত।

Read More...


বাবাঃ আমার জন্য একটা ড্রিঙ্কস নিয়ে আসো তো দোকান থেকে ।
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ ঠাণ্ডা অফকোর্স !
ছেলেঃ বাবা পেপ্সি নাকি কোক ?
বাবাঃ পেপ্সি
ছেলেঃ বাবা বোতলের নাকি টিনের ?
বাবাঃ বোতলের ,
ছেলেঃ বড় বোতল নাকি ছোট বোতল ?
বাবাঃ ছোট বোতল ,
ছেলেঃ আচ্ছা বাবা নরমাল নাই ডায়েট ?
বাবাঃ ধুরু , লাগবেনা যা পানি নিয়ে আস একটা ,
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ অফকোর্স ঠাণ্ডা ,
ছেলেঃ বাবা খাওয়ার পানি নাকি ইয়ুজ করার জন্য ?
বাবাঃ মাইর খাবি এখন !!
ছেলেঃ বাবা হাত দিয়ে নাকি লাঠি দিয়ে ?
বাবাঃ বেশি কথা বলস , যা ভাগ সামনে থেকে ,
ছেলেঃ বাবা দৌড় দিয়ে ভাগব না হেটে হেটে ?
বাবাঃ বেয়াদব , দিন দিন জানোয়ার হইতাসস !
ছেলেঃ কোন জানোয়ার ? কুত্তা নাকি বিলাই ?
বাবাঃ আমি এখন তোরে জবাই করবো , যা বলসি !!
ছেলেঃ বাবা চাকু দিয়ে নাকি বটি দিয়ে ?
বাবাঃ বটি দিয়ে !!
ছেলেঃ টুকরা টুকরা নাকি বড় বড় পিস ?
বাবাঃ হারামি তুই যাবি ??
ছেলেঃ বাবা একলা যাব নাকি তোমার সাথে যাব ?
বাবাঃ তোর উপর থাডা পরুক !
ছেলেঃ বাবা ভুমিকম্প নাকি বজ্রপাত ?
বাবাঃ ওহ খোদা আমার হার্ট এ পেইন হচ্ছে !
ছেলেঃ বাবা হসপিটাল এ নিয়ে যাব নাকি ডক্টর ডাকব ??
বাবাঃ পানি দে আমাকে
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ নরমাল
ছেলেঃ বাবা খাবে নাকি ইয়ুজ করবে ?? .........



আর লিখতে পারলাম না :P লিখলেই বাপ টা মরে যাবে :P 

Read More...


পুরুষ যত শক্তিমানই হউক না কেন, বিবাহের পর পরই কেমন যেন পুতাইয়া যায়! সেই পুতানোর ধরন এমনই যে, যেই পুরুষ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠিয়াই নিয়মিত ব্যায়াম করিয়া শরীরের বাইসেপ- ট্রাইসেপ বাড়াইতো--আজ সেই তার বউয়ের হাত-পায়ের বাইসেপ টিপিয়া আদরে ঘুম পাড়াইয়া দেয়!! বাবা মায়ের এত কষ্টের তৈরী সুউচ্চ মেরুদন্ডের পিলার, বাসর রাতের পর থেকেই কেমন নড়বড় করিতে থাকে!!


যাহাদের মেরুদন্ডের পিলার এহেন নড়বড়ে, তার একটাই কারণ। উনারা বাসর রাতেই বিলাই মারিতে ব্যর্থ হয়েছেন! আর যারা প্রথম পনের মিনিট কাম-ক্রোধ আটকাইয়া শক্ত হাতে বিলাই মারিতে পারে, তারাই ভবিষ্যতে নিজেদের মেরুদন্ডের পিলারে সিমেন্ট লাগাইতে সমর্থ হয়।



সুতরাং, বাসর রাত শুনিয়াই শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গা না চু্লকাইয়া-- আসেন দেখি কিভাবে সহজেই বিলাই মারা যায়!



পদ্ধতি ১. দুরুদুর বুকে নতুন বউ যখন আপনার পায়ে ধরে সালাম করিতে আসিবে ..... তখনি পিছাইয়া যান! গম্ভীর কন্ঠে বলেন -->''আমার পা অতি পাক। উহা স্পর্শ করিতে হইলে
তোমাকে সাবান দিয়া হাত ধুইয়া আসিতে হইবে!!" নতুন বউ আর কি বলিবে?! হাত ধুইয়া আসিয়া যখন আবার আপনার পা ধরিয়া সালাম করিবে, ততক্ষণে আপনার বিলাই মারা শেষ!



পদ্ধতি ২. নতুন বুউয়ের খোমা দেখে-- 'পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে গিয়ে দেখেছিনু তোমায়'-- টাইপ ডায়লগ দিলেন- তো গেলেন! বরঞ্চ সন্দেহজনক ভাবে তাকাইয়া থাকেন। আর রহস্যময় গলায় কন --''তুমার চেহারা কেন জানি খুবই পরিচিত লাগতাছে! মনে হয় রমনায় অন্য কোন পুলার সাথে
দেখছিলাম!!" বউ যতই আত্মপক্ষ সমর্থন করুক না কেন, আপনি খালি অবিশ্বাসের হাসি হাসতে থাকেন। এহেন সন্দেহের ফলে বিলাই যে পুরাই চিকায় পরিণত হইবে- সেই ব্যাপারে নিচ্চিত থাকতে পারেন!!





পদ্ধতি ৩. বাসর ঘরে বিছানায় উঠেই অনেকে আবেগে কাইত হয়া যায়! আপনি তা না করে বরং খাটের চিপা চাপা থেকে একটা ছারপোকা খুঁজে বার করেন। এরপর হিংস্র ভাবে উহা
টিপিয়া মারিয়া বউয়ের দিকে তাকাইয়া ঠান্ডা গলায় বলেন --> "আমার নিরব শত্রুদের আমি এইভাবেই পিষে মারি!" এভাবে দেখবেন, বিলাই নিরবেই মারা পড়িবে।





পদ্ধতি ৪. বউয়ের নাক-কান দেখিয়া মুগ্ধ হইলেন তো বিল্লী মারার খেলায় ডাক মারিলেন! বরঞ্চ, খুঁত বাইর করেন। আর বলদ বলদ গলায় বলিতে পারেন -- >"আহা.... তোমার নাক দেখি অতিশয় লম্বা! সমস্যা নাই, আমার হাতের একাধিক রাম থাবড় খাইলেই নাক স্ব স্থানে বসে যাইবে।" -- এহেন ডায়লগের পর বিল্লি আপনাতেই আত্মহত্যা করিবে বলিয়া আশা করা যায়!





পদ্ধতি ৫. আপনার কাম- ক্রোধ উত্তেজনা যদি অতি বেশী হয়- অর্থাৎ বিলাই মারার জন্য পনের মিনিটের ধৈর্য্যও যদি না থাকে ........ তাহলে আরেকটা পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে
পারেন। বাসর ঘরে ঢুকেই ফরাৎ করে পাঞ্জাবী ছিড়িয়া এবং কুইক পাজামা খুলিয়া বিছানায় ঝাপাইয়া পড়িয়া বউয়ের হাত ধরিয়া বলেন --"ভালোবাসা দিবি কিনা বল!?!" এহেন আকস্মিক ঘটনায় ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়া বিলাই মরে যেতে পারে!



জানিনা এহেন টিপসে আপনার কাজ হইবে কি না! কারণ, আমি যে অবিবাহিত!! তবুও রিস্ক লইয়া ট্রাই লইবেন , প্রত্যাশা রইলো!!



পরিশেষে.... মেরুদন্ড সোজা করিয়া দাড়াইতে পারেন না যেসব ভাইজান; তাহাদের জন্য দু 'লাইন--


"বউ পিছ পিছ ঘুরিছে দেখ অভাগা পুরুষ জাতি
বাসর রাতেই বিলাই মারিলে কি ছিলো এমন ক্ষতি!!"

Read More...


মতলব মিঞা একদিন এক হোটেলে বসে নাস্তা খাচ্ছিলো, সেখানে উচ্চ আওয়াজে গান বাজছিলো| এমন সময়ে তার বায়ু ত্যাগ করার প্রয়োজন হলো | চারপাশ একবার দেখে নিলো সে; সকলেই খাওয়া-দাওয়ায় ব্যাস্ত তাছাড়া যেহেতু উচ্চ আওয়াজে গান বাজছে তাই সে ভাবলো কেউ খেয়াল করবেনা| বিকট শব্দে সে তার কার্য সম্পাদন করলো এবং reLaxed হয়ে পুনরায় খাওয়া শুরু করলো|
হঠাৎ সে লক্ষ্য করলো হোটেল এর সবাই তার দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে আছে ...
“কি ব্যাপার??” কিছুক্ষন অবাক হয়ে ভাবলো সে|
এরপরেই নিজেকে কিছু গালি দিলো,

কারণ মতলব মিঞা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলো যে সে iPod এ গান শুনছিল|

Read More...


বিয়ের ১০ বছর পূর্তিতে স্ত্রী বিষন্ন ভঙ্গিতে স্বামীকেঃ "তুমি আমাকে কখনোই ভালোবাসোনি!"
.
... .
.
.
স্বামী রেগে গিয়েঃ
"তাহলে এই হাফ ডজন ছেলে-মেয়ে কি আমি internet থেকে download করছি?!?
.
.
.
.
স্ত্রী ততোধিক রেগেঃ
তোমার যা download speed !!! এগুলো আমি পাশের বাড়ির বল্টু, পল্টু আর পিন্টুর 'পেন ড্রাইভ' থেকে নিয়েছি...:O


Read More...


বিয়ের ৩ মাস পরই হাবলু'র বউ-এর বাচ্চা হল...

হাবলু তার বউকে জিজ্ঞাসা করলোঃ “আচ্ছা,আমাদের বিয়ের ৩ মাস পরই বাচ্চা কেমনে হল?”

হাবলু'র বউ বললোঃ “তোমার বিয়ের কয় মাস হইসে?”

হাবলু কয়ঃ “৩ মাস!”

হাবলু'র বউ আবার জিগায়ঃ “আমার বিয়ের কয় মাস হইসে?”

হাবলু আবারো কয়ঃ “৩ মাস!”

হাবলু'র বউ আবার জিগায়ঃ “আর, বাচ্চা কয় মাস পরে হইসে??”

হাবলু আবারো কয়ঃ “৩ মাস!”

এইবার হাবলুর বউ জিগায়ঃ “তাহলে মোট কয় মাস হইল?”

হাবলু খুশিতে লাফাইতে লাফাইতে কইলোঃ “নয় মাস! আমি তো ভয় পাইয়া গেসিলাম!!”

হাবলুর বউ মুচকি হাইসা কইলোঃ








হ !! আমিও ডরাইসিলাম প্রথমে !!

Read More...


এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখল তিনটা দরজা

১ম দরজায় লিখা: চাইনিজ খাবার

২য় দরজায় লিখা: বাঙালী খাবার

৩য় দরজায় লিখা: ইংরেজ খাবার

লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লিখা: বাড়ি নিয়া খাইবেন

২য় দরজায় লিখা: হোটেলে খাইবেন

লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লেখা: এসি

২য় দরজায় লেখা: নন এসি

লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাই সে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লিখা: ক্যাশ খাইবেন

২য় দরজায় লিখা: বাকি খাইবেন

লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল :P

Read More...


এক সৈন্য ছুটতে ছুটতে এসে হাজির এক নানের কাছে।
"সিস্টার, আমাকে খুঁজছে এক দুষ্ট পুলিশ। আমাকে বাঁচান!" বললো সে।
"ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন, বাছা! তা আমি কিভাবে তোমাকে সাহায্য করতে পারি?" খোনা গলায় বললেন নান।
"আমি কি আপনার এই ঢোলা আলখাল্লার নিচে লুকাতে পারি?" জানতে চাইলো সৈন্য।
"নিশ্চয়ই।" সায় দিলেন নান। সৈন্য হামাগুড়ি দিয়ে তাঁর আলখাল্লার নিচে ঢুকে পড়লো।
খানিকক্ষণ বাদেই এক পুলিশ ছুটতে ছুটতে এসে হাজির।
"সিস্টার, এদিক দিয়ে কোন সৈন্যকে যেতে দেখেছেন?"
"হ্যাঁ বাছা। সে তো ওদিকে চলে গেলো ছুটতে ছুটতে।"
পুলিশ ধন্যবাদ জানিয়ে নানের দেখানো দিকে ছুটতে ছুটতে চলে গেলো।
আলখাল্লার নিচ থেকে বেরিয়ে সৈন্য বললো, "সিস্টার, আপনি আমাকে বাঁচালেন। আমি যুদ্ধে যেতে চাই না, কিন্তু ব্যাটারা আমাকে জোর করে পাঠাবেই!"
নান বললেন, "ঠিক আছে বাছা, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।"
সৈন্য বললো, "ইয়ে, সিস্টার, একটা কথা আপনাকে বলা দরকার। আলখাল্লার নিচে বসে দেখলাম কি না। দারুণ একজোড়া ঊরু আপনার!"

নান বললেন, "বাছা, আরেকটু ওপরে খেয়াল করলে দারুণ একজোড়া অন্ডকোষও দেখতে পেতে। আমিও যুদ্ধে যেতে চাই না ...।"

Read More...


রাজনীতি কাকে বলে ???

এক পেশাদার রাজনীতিবিদের ছেলে স্কুলে পড়ে। স্কুলের অন্যরা যখন বলে আমার বাবা ডাক্তার, আমার বাবা ব্যাংকার ইত্যাদি ইত্যাদি তখন তাকে বলতে হয় আমার বাবা রাজনীতি করে। কিন্তু শিশুরা যেহেতু রাজনীতি বোঝে না, তাই তারা জানতে চায়- রাজনীতি জিনিসটা কী?

ছেলে বাড়িতে এসে রাজনীতি কী তা বাবার কাছে জানতে চায়। বাবা জানে যে রাজনীতি একটা খারাপ জিনিস এবং তারা যে-রাজনীতি করে তা ছেলেকে বোঝানোও সম্ভবও নয়। তাই সে ছেলেকে রাজনীতি শিখাতে চায় না। কিন্তু ছেলে নাছোড়বান্দা।

অগত্যা বাবা একদিন ছেলেকে বোঝাতে শুরু করে- মনে কর, আমি সরকারী দল, তোমার মা দেশ, হালিমা (কাজের মেয়ে) জনগণ এবং তুমি বিরোধী দল।

বাবা এ পর্যন্ত বলতেই একটা জরুরী টেলিফোন আসে এবং তাকে বাইরে যেতে হয়। ছেলে সারাক্ষণ শুধু রাজনীতি ভাবতে থাকে-বাবা সরকারী দল, মা দেশ, হালিমা জনগণ এবং আমি বিরোধী দল। কিন্তু সে রাজনীতির কোন কূল-কিনারা করতে পারেনা।

রাতে শুয়ে শুয়েও তার ভাবনার শেষ হয় না এবং ঘুমও আসে না। সে চুপটি মেরে শুয়ে থাকে। মা ধমক দেবে তাই ভয়ে মাকে বলতেও পারছেনা যে তার ঘুম আসছে না।

রাতে বাবা যখন ফিরে আসে তখন হালিমা ঘুমিয়ে আছে। বাবা এসে খাওয়া-দাওয়া সেরে বিছানায় শুয়েই তার মার সাথে সেক্স করতে শুরু করে। ছেলে তখন ভাবে-সরকারী দল দেশের োঙ্গা মারে, বিরোধী দল চেয়ে চেয়ে দেখে আর জনগণ ঘুমায়। এই হলো রাজনীতি।

Read More...




এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।

এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।

প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

মুরগি জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।’

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

গরু জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।’

তার দেখা হলো একটা শুয়োরের সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

শুয়োর ঘোঁতঘোঁত করে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।’

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।

এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।’;);)

Read More...
Total Views: