ভ্যালেন্টাইন ডে তে মন খারাপ করে বাড়ি ফিরল রুবিনা।
বড় বোন বলল কিরে তোর মন খারাপ কেন?
জানো আপা আজ বুঝতে পারলাম আমার প্রেমিক ছেলেটার দাঁতগুলো খুবই বিশ্রী।
তুই কি করে বুঝলি?
ও আমাকে একটা জোকস শুনিয়ে হাসছিল, তখন খেয়াল করলাম।
শোন গাধা, এতে মন খারাপের কি আছে। তুই
বুঝিয়ে শুনিয়ে ওকে বিয়ে করে ফেল, তখন
দেখবি ওর হাসির সুযোগই পাবে না।
মিস্টার অ্যান্ড মিসেস চৌধুরী পার্টিতে গেলেন, বাসা সামলানোর দায়িত্ব দিয়ে
গেলেন কাজের ছেলে জুম্মনকে। পার্টিতে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে বিরক্ত হয়ে মিসেস
চৌধুরী ফিরে এলেন, মিস্টার চৌধুরী রয়ে গেলেন সামাজিকতার খাতিরে।
বাসায় ফিরে এসে মিসেস চৌধুরী জুম্মনকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং রুমে। তিনি খানিকক্ষণ উসখুস করে জুম্মনকে ডেকে নিয়ে গেলেন নিজের বেডরুমে।
‘জুম্মন, আমার শাড়িটা খোল।’ হুকুম করলেন তিনি।
জুম্মন কোন কথা না বলে হুকুম তামিল করলো।
‘এবার আমার ব্লাউজ আর ব্রা খোল।’ বললেন মিসেস চৌধুরী।
জুম্মন সেটাও পালন করলো।
এবার মিসেস চৌধুরী নিচু গলায় বললেন, ‘আমার পেটিকোটটা খোল জুম্মন।’
জুম্মন খুললো।
মিসেস চৌধুরী জুম্মনের চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘আর কোনদিন যদি দেখি আমার
জামাকাপড় গায়ে দিয়ে বসে আছিস, কানে ধরে বাসা থেকে বের করে দেবো।’
=============================
অন্য এক চাকরিপ্রার্থী গিয়েছেন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে—
প্রশ্নকর্তা: সাইক্লোনটা কী বলুন তো?
চাকরিপ্রার্থী: এক ধরনের লোন, যা কিনা সাইকেল কেনার জন্য দেওয়া হয়।
=============================
পুলিশ: কাল ভোর পাঁচটায় তোমার ফাঁসি!
অপরাধী: হা হা হা!
পুলিশ: মাথা ঠিক আছে তো, কী বলেছি শুনেছ?
সর্দারজি: শুনব না কেন! কিন্তু বিষয় হলো, আমি ঘুম থেকেই তো উঠি দুপুর বারোটায়!
এক ভদ্রলোক বাজারে গেছেন কাপড় কিনতে—
ভদ্রলোক: আমাকে পর্দার কাপড় দেখান তো।
দোকানদার: কয় গজ দেব, বলুন।
ভদ্রলোক: আরে রাখেন আপনার গজ, আমাকে ১৫ ইঞ্চি কাপড় দিন।
দোকানদার: ১৫ ইঞ্চি কোনো জানালার সাইজ?
ভদ্রলোক: জানালা নয়, আমার কম্পিউটারের সাইজ।
দোকানদার: কম্পিউটারে কেউ পর্দা লাগায়?
ভদ্রলোক: আমি লাগাই, কারণ আমার উইন্ডোজ আছে।
আমি কে বলুন তো?
আমাকে দিয়ে পুরুষ, নারী দুই জনেরই কাজ হয়. আমি সাধারণত ৮
ইঞ্চির মতন লম্বা, কমবেশিও হয় মাঝে মাঝে, নির্ভর করে মানুষের উপরে. আমার
এক মাথায় একগোছা চুল আছে. বেশিরভাগ সময়ই আমি সাধারণত শুয়ে থাকি, কিন্তু
যেকোনো মুহুর্তে যখন তখন আমি কাজে আসার জন্য তৈরী থাকি. আমাকে দিয়ে যখন
কাজ করানো হয়, তখন আমাকে সাধারণত ভেতরে ঢুকানো হয় আর বের করা হয় আর এই
ভেতরে ঢোকানো আর বের করা চলতেই
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন।
স্ত্রী : কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?
স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি।
স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন।
স্বামী : (থ হয়ে) তুমিও আমাকে...
স্ত্রী : তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি?
কার বেশি সুখ??? ---------
!
!
!
!
!
!
মেয়ের বান্ধবী ঐ মেয়ের বাসর রাতের আগের দিন যা বলতো এবং বলে
১৯৮০ঃ বেশি লজ্জা পাইস না, তোর ই তো স্বামী।
১৯৯০ঃ ও যা করতে চায় তাই করতে দিস্, কষ্ট লাগলেও তা স্বীকার করবি না।
২০০০ঃ আসতে আসতে করিস , বেশি উতলা হইস না, না হইলে ব্যথা লাগতে পারে।
২০১০ঃ করার সময় জোরে জোরে চিৎকার দিশ যাতে অ বুঝতে পারে যে এটাই তোর প্রথম ।
একটা পিচ্চি ছেলে আরেকটি পিচ্চি মেয়ে পাশাপাশি দুইটি বাড়িতে থাকে।
ছেলেটির মা ছেলেটিকে একদিন একটা ফুটবল কিনে দিল। ছেলেটি সেটা মেয়েটিকে
দেখালে মেয়েটি বলল আমাকে খেলতে নাও। ছেলেটি বলল, ‘এটা ছেলেদের খেলা। তুমি
খেলতে পারবে না।’
মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল। পরেরদিন মা’কে বলে নিজে একটা ফুটবল কিনে ছেলেটিকে দেখিয়ে দেখিয়ে বাড়ির সামনে একা একা খেলতে লাগল।
ছেলেটি এবার একটা সাইকেলের ব্যবস্থ
া করে মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল, ‘তুমি এটা চালাতে পারবে না।’
কিন্তু দেখা গেল পরেরদিন মেয়েটিও সাইকেলে চড়ছে।
ছেলেটি এবার প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বলল, ‘এবার যাও, পারলে তোমার মা’কে বলো তো এমন কিছু তোমাকে কিনে দিতে পারে কিনা?’
পরের দিনে মেয়েটি বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট খুলে নিজের
গোপনাঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘মা বলেছে যতদিন আমার এইটা থাকবে ততদিন
তোমার মত ওরকম জিনিসের অভাব হবে না।’
" কোন কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু বৈধ না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত বৈধও না"
একজন ছাত্র আইন বিষয়ক একটি বিষয়ে ফেল করল।ফলে সে ওই বিষয়ের স্যারের সাথে কথা বলল।
ছাত্রঃ স্যার, আপনি কি আইন সম্বন্ধে সবকিছু জানেন?
শিক্ষকঃ অবশ্যই জানি
ছাত্রঃ তাহলে স্যার আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করব, আপনি যদি ওই প্রশ্নগুলোর
উত্তর দিতে পারেন তাহলে আপনি আমাকে আপনার সাবজেটে যা নম্বর দিয়েছেন সেটি
আমি মেনে নেব।আর যদি আপনি উত্তর দিতে না পারেন তাহলে আপনি আমাকে "এ" গ্রেড
দিতে হবে।
শিক্ষক তাতে রাজি হল
ছাত্রটি স্যারকে জিজ্ঞেস করল " কোন কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত না,
কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু বৈধ না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত
বৈধও না"
শিক্ষক এই প্রশ্নগুলো নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিন্তা করল কিন্তু নিজে কোন
উত্তর বের করতে পারল না। কোন উত্তর দিতে না পেরে শেষে শিক্ষক ওই ছাত্রকে
"এ" গ্রেড দিয়ে দিল।
পরের দিন শিক্ষক ক্লাসে গিয়ে ছাত্রদের এই প্রশ্নটি করল।
ক্লাসের সব ছাত্র হাত তুলল।এতে শিক্ষক অবাক হয়ে গেল। তাদের মধ্য থেকে সে
একজন ছাত্রকে উত্তর দিতে বলল। ছাত্রটি বলল " স্যার আপনার বয়স ৬০ এবং আপনি
বিয়ে করেছেন একজন ২৩ বছরের মেয়েকে। এই কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত
না।
আপনার স্ত্রী একজন ২৩ বছরের যুবকের সাথে প্রেম করছে যেটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু কোনমতেই বৈধ নয়।
আপনার স্ত্রীর প্রেমিক পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ফেল করল কিন্তু তবুও আপনি তাকে
"এ" গ্রেড দিয়েছেন। এই কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত বৈধও না.
ছাত্রের উত্তর শুনে শিক্ষক অচেতন হয়ে পরে গেল,,,,,,,,
পথে সর্দারজিকে ধরে বসেছেন এক বিক্রয়কর্মী, ‘সর্দারজি, এই পাউডারটা নিয়ে যান, মাত্র ১০ টাকা দাম।’
সর্দারজি: কী হবে এই পাউডার দিয়ে?
বিক্রয়কর্মী: বাড়ি গিয়েই আপনার বাড়ির তেলাপোকা, পিঁপড়া, যত পোকামাকড় আছে, ওসবের গায়ে ছিটিয়ে দেবেন, দেখবেন কী চমৎকার কাজ হয়!
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
সর্দারজি: মাথা খারাপ! আজ পাউডার দিলে কাল ওরা লিপস্টিক চেয়ে বসবে!
বরাবর,
স্কুলের বাইরে গিয়া নাম দেই'খা আয়..................
বিষয়ঃ পরীক্ষা ফী মাফ করন লাগব।
হোনেন,
কথা হইতাসে যে, বাপে আমারে ৫০০ টা টাকা দিসিলো পরীক্ষা ফী দেওনের লাইগা।
১০০ টাকা দিয়া সিনেমা দেখসি, ১৫০ টা টাকা দিয়া আবার ক্যানটিনে পার্টি
দেওন লাগসে, ৫০ টাকা আমার জানের মোবাইলে ফ্লেক্সি করা লাগসে। আর ২০০ টাকা
বাজিতে হাইরা গেসি। ইংলিশ মেডামের লগে সমাজ স্যারের ইটিশ-পিটিশ লয়া বাজি
ধরসিলাম। কিন্তু ম্যাডামের লগে ইতিশ-পিতিশ ত তর চলতাসে।
অনেক জালাইসস আমারে। এখন তর কাছে দুইটা রাস্তা খোলা। ফিস মাফ নাইলে পর্দা ফাঁস। তাড়াতাড়ি ডিসিশন লয়া আমার ফেসবুকে ম্যাসেজ পাঠা
নাম কমুনা
রোল ***
এক তরুণী মেয়ে দোকানে গেল একটা কথা বলা টিয়ে পাখি কিনতে।
দোকানদার একটা পাখির খুব প্রশংসা করল,এটা নাকি সব বুঝে ,
নিজে থেকেই অনেক কিছু শিখে নেয়।
মেয়েটা খুশি হয়ে পাখিটাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করল ,
"আচ্ছা আমাকে দেখে আমার সম্পর্কে কিমনে হয় তোমার?"
পাখিটা ঠাস করে বলে বসল,..."বেশী সুবিধার না, বাজে মাইয়া!"
...
মেয়েতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেল !
রেগেমেগে দোকানদারকে গিয়ে অভিযোগকরল ।
দোকানদার পাখিটাকে ধরে এক বালতি পানিতে ...
কয়েকটা চুবানি দিল , এরপর জিজ্ঞেস করল,
"আর খারাপ কথা বলবি?"
পাখিটা ভালো মানুষের(!) মত মাথা নাড়ায় আর বলে ,
"না না , আর বলব না"
মেয়েটা খুশি হয়ে আবার জিজ্ঞেস করে ,
=>"আচ্ছা আমি যদি রাতে ঘরে একজন পুরুষ নিয়ে ঢুকি ,
তুমি কি মনে করবে?"
=>"তোমার স্বামী"
=>"যদি দুজনকে নিয়ে ঢুকি?"
=>"তোমার স্বামী আর দেবর"
=>"যদি তিনজনকে নিয়ে ঢুকি?"
=>"তোমার স্বামী , দেবর আর ভাই ।"
=>"যদি চারজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটা দোকানদারকে চেঁচিয়েডাকল,
"ঐ মিয়া বালতি নিয়া আও !
আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার না , বাজে মাইয়া
সে এক আদ্যিকালের কথা।এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি।বুড়ির খুব দু্ঃখ।তার স্বামী
মারা গেছে বহু আগে,কোন ছেলেপেলেও নেই।আছে শুধু একটা ছাগল।ভিক্ষা করে
কোনরকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে।
তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে।এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ।বুড়ি
ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়?যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে।
তারপর যা হয় আর কি।এক জ্বিন এসে হাজির।বলল,হুকুম করুন।আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।
বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল,আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।
যো হুকুম।বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল।
আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?
আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।
তাই হল।
তৃতীয় ইচছা কি?
আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনআবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।
বুড়ির এই ইচছাও পূরণ হল।
আমি এখন মুক্ত।এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।
সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির(যে এখন সুন্দরী
রাজকন্যা) দিকে।বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল।বুড়ির কানে কানে সে
বলল,আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন???
এক জাপানি ভদ্রলোক এসেছেন বাংলাদেশ ভ্রমনে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সামনে
অপেক্ষারত একটা ট্যাক্সিতে চড়ে বসলেন হোটেলে যাওয়ার জন্য।
একটু পরে একটা মোটরবাইক পাশ কাটাতেই জাপানিটা সোল্লাসে বলে উঠল, হোন্ডা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ড্রাইভার কিছু বলল না।
একটু পরে ওভারটেক করল একটা কার, আবার জাপানির চিৎকার, টয়োটা, হাহা, মেড ইন
জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ট্যাক্সি ড্রাইভার চুপচাপ শুনল, কিছু বলল না।
এরপর একটার
...
পর একটা গাড়ি পেছন থেকে উঠে যাচ্ছে আর জাপানি লোকটার উৎসাহ বেড়ে যাচ্ছে,
কখনও মিৎসুবিশি, কখনও হোন্ডা, কখনও টয়োটা বলে লাফাচ্ছে আর মনের আনন্দে
গুনকীর্তন করছে, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ভেরী ফাস্ট!!
অবশেষে, হোটেলে পৌছল তারা। ক্যাব থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে টাসকি, এইট হান্ড্রেড টাকা? হাউ কাম?
এতক্ষণ চুপ থাকার পর কথা বলার চান্স পেয়েছে ট্যাক্সি ড্রাইভার, হাহা, ইয়ে মিটার, মেড ইন বাংলাদেশ, ভেরী ফাস্ট! ভেরী ফাস্ট!!
শাশুড়ী ছেলের বউকে পরীক্ষা করে দেখছে যে ছেলের বউ
তাকে কতটা সম্মান করে-----
শাশুড়ীঃ বউমা তুমি আমাকে কত
ভালোবাসো এবং সম্মান করো ?
ছেলের বউঃ আম্মা ভালোবাসা তো প্রকাশ করা যায় না । তবে সম্মান টা একটু হলেও দেখানো যায় আর আপনি আমার অনেক সম্মানের মানুষ.... আপনার
পায়ের পাশেই তো আমাদের
জায়গা
শাশুড়ীঃ বাহ...তার মানে আমি যদি বিছানায় বসি..তুমি তাহলে আমার পায়ের পাশে বসবে ?
ছেলের বউঃ না আম্মা...আমি বিছানার পাশে আপনার পায়ের
সাথে চেয়ারে বসবো....আপনি সবসময় আমার উপরে থাকবেন..
শাশুড়ীঃ হুমম্ আমি যদি চেয়ারে বসি তাহলে?
ছেলের বউঃ আম্মা আমি মোড়া তে বসবো ...
শাশুড়ীঃ আমি যদি মোড়া তে বসি??
ছেলের বউঃ আমি তাহলে পিড়িতে বসবো
শাশুড়ীঃ আমি যদি পিড়িতে বসি??
ছেলের বউঃ তাহলে আমি মাটিতে বসবো আম্মা
শাশুড়ীঃ আমি যদি মাটিতে বসি?
ছেলের বউঃ আম্মা আমি তাহলে মাটিতে একটি গর্ত খুঁড়ে সেটাতে বসবো...
শাশুড়ীঃ আর আমি যদি গর্তটি তে বসি?
.
.
.
.
.
.
ছেলের বউঃ তাহলে কি আর করবো আম্মা!! আমি গর্তটি তে মাটি ফেলে চাপা দিয়ে চলে আসবো!!!
স্যার পল্টুকে বললেন...........
স্যারঃ তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
পল্টুঃ ফেসবুক ইউজ
স্যারঃ আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড়
হয়ে তুমি কি হবে ?
পল্টুঃ ফেসবুক ইউজার
স্যারঃ আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
পল্টুঃ পোষ্টে লাইক
স্যারঃ গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
পল্টুঃ পেজ খুলব
স্যারঃ গর্দভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
পল্টুঃ আমার আকাউন্টের পাসওয়ার্ড
স্যারঃ ইয়া খোদা... তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
.
.
.
.
পল্টুঃ আপনার মেয়ের আকাউন্ট হ্যাক করা।
স্যার অজ্ঞান!
এক লোক মারাত্মক আহত হয়েছে।
হাতে লম্বা সেলাই দেয়া লাগবে।
অপারেশন টেবিলে শুয়ে সে কাতর
চোখে ডাক্তারকে বললো, ডাক্তার
সাহেব একটা কথা আছিল।
এক লোক একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা। ১ম দরজায় লেখা:
বাঙালি খাবার, ২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার, ৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।
লোকটি তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন?
লোকটি
রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই ‘এখানেই খাবেন?’ লেখা দরজায় ঢুকলেন।
সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি।
১ম দরজায় লেখা: এসি;
২য় দরজায় লেখা: নন এসি।
লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন
তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: বাকিতে খাবেন?
লোকটি
ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয়, তাই তিনি ‘বাকিতে খাবেন?’ লেখা দরজাটা খুললেন।
খুলতেই নিজেকে রাস্তায় আবিষ্কার করলেন!