preload

এক লোক বাজার থেকে তোষক কিনেছে। সেটি নিয়ে কাঁধে করে বাড়ি ফিরছে, পথে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা।
বন্ধু জিজ্ঞেস করল, কিরে কত নিল?
সে জবাব দিল, দেড় হাজার টাকা।
বন্ধু বলল, খাইছিস তো বাঁশ! এক হাজার টাকার বেশি এইটার দাম হইতেই পারে না।
কিছুদূর এগুতেই আরেকজন দাম জিজ্ঞেস করল।
লোকটি এবার আর লজ্জা পেতে চাইল না। সেজবাব দিল, এক হাজার টাকা।
প্রশ্নকর্তা দাম শুনে বলল, দিছে তো তোরে বাঁশ! আমার শালা পরশু ছয়শ টাকা দিয়া কিনছে!
দুঃখী মনে লোকটা এগুতে লাগল।
একটু পর যখন আরেক বন্ধু জিজ্ঞেস করল, কী রে কোথা থেকে আসলি?
তখন লোকটি রেগেমেগে বলল, বাঁশ মারা খাইয়া আসলাম ! !
বন্ধু মুচকি হেসে বলল,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
একেবারে তোষক নিয়া গেছিলি ? !!! ?

Read More...

ভ্যালেন্টাইন ডে তে মন খারাপ করে বাড়ি ফিরল রুবিনা।
বড় বোন বলল কিরে তোর মন খারাপ কেন?
জানো আপা আজ বুঝতে পারলাম আমার প্রেমিক ছেলেটার দাঁতগুলো খুবই বিশ্রী।
তুই কি করে বুঝলি?
ও আমাকে একটা জোকস শুনিয়ে হাসছিল, তখন খেয়াল করলাম।
শোন গাধা, এতে মন খারাপের কি আছে। তুই
বুঝিয়ে শুনিয়ে ওকে বিয়ে করে ফেল, তখন
দেখবি ওর হাসির সুযোগই পাবে না।

Read More...

মিস্টার অ্যান্ড মিসেস চৌধুরী পার্টিতে গেলেন, বাসা সামলানোর দায়িত্ব দিয়ে গেলেন কাজের ছেলে জুম্মনকে। পার্টিতে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে বিরক্ত হয়ে মিসেস চৌধুরী ফিরে এলেন, মিস্টার চৌধুরী রয়ে গেলেন সামাজিকতার খাতিরে।
বাসায় ফিরে এসে মিসেস চৌধুরী জুম্মনকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং রুমে। তিনি খানিকক্ষণ উসখুস করে জুম্মনকে ডেকে নিয়ে গেলেন নিজের বেডরুমে।
‘জুম্মন, আমার শাড়িটা খোল।’ হুকুম করলেন তিনি।
জুম্মন কোন কথা না বলে হুকুম তামিল করলো।
‘এবার আমার ব্লাউজ আর ব্রা খোল।’ বললেন মিসেস চৌধুরী।
জুম্মন সেটাও পালন করলো।
এবার মিসেস চৌধুরী নিচু গলায় বললেন, ‘আমার পেটিকোটটা খোল জুম্মন।’
জুম্মন খুললো।
মিসেস চৌধুরী জুম্মনের চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘আর কোনদিন যদি দেখি আমার জামাকাপড় গায়ে দিয়ে বসে আছিস, কানে ধরে বাসা থেকে বের করে দেবো।’
:):):)

Read More...

...............

Published in:

=============================
অন্য এক চাকরিপ্রার্থী গিয়েছেন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে—
প্রশ্নকর্তা: সাইক্লোনটা কী বলুন তো?
চাকরিপ্রার্থী: এক ধরনের লোন, যা কিনা সাইকেল কেনার জন্য দেওয়া হয়।
=============================
পুলিশ: কাল ভোর পাঁচটায় তোমার ফাঁসি!
অপরাধী: হা হা হা!
পুলিশ: মাথা ঠিক আছে তো, কী বলেছি শুনেছ?
সর্দারজি: শুনব না কেন! কিন্তু বিষয় হলো, আমি ঘুম থেকেই তো উঠি দুপুর বারোটায়!

Read More...

এক ভদ্রলোক বাজারে গেছেন কাপড় কিনতে—
ভদ্রলোক: আমাকে পর্দার কাপড় দেখান তো।
দোকানদার: কয় গজ দেব, বলুন।
ভদ্রলোক: আরে রাখেন আপনার গজ, আমাকে ১৫ ইঞ্চি কাপড় দিন।
দোকানদার: ১৫ ইঞ্চি কোনো জানালার সাইজ?
ভদ্রলোক: জানালা নয়, আমার কম্পিউটারের সাইজ।
দোকানদার: কম্পিউটারে কেউ পর্দা লাগায়?
ভদ্রলোক: আমি লাগাই, কারণ আমার উইন্ডোজ আছে।

Read More...

আমি কে বলুন তো?
আমাকে দিয়ে পুরুষ, নারী দুই জনেরই কাজ হয়. আমি সাধারণত ৮ ইঞ্চির মতন লম্বা, কমবেশিও হয় মাঝে মাঝে, নির্ভর করে মানুষের উপরে. আমার এক মাথায় একগোছা চুল আছে. বেশিরভাগ সময়ই আমি সাধারণত শুয়ে থাকি, কিন্তু যেকোনো মুহুর্তে যখন তখন আমি কাজে আসার জন্য তৈরী থাকি. আমাকে দিয়ে যখন কাজ করানো হয়, তখন আমাকে সাধারণত ভেতরে ঢুকানো হয় আর বের করা হয় আর এই ভেতরে ঢোকানো আর বের করা চলতেই

Read More...

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন।
স্ত্রী : কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?
স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি।
স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন।
স্বামী : (থ হয়ে) তুমিও আমাকে...
স্ত্রী : তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি?

Read More...

কার বেশি সুখ??? ---------

!
!
!
!
!
!

Read More...

মেয়ের বান্ধবী ঐ মেয়ের বাসর রাতের আগের দিন যা বলতো এবং বলে
১৯৮০ঃ বেশি লজ্জা পাইস না, তোর ই তো স্বামী।
১৯৯০ঃ ও যা করতে চায় তাই করতে দিস্, কষ্ট লাগলেও তা স্বীকার করবি না।
২০০০ঃ আসতে আসতে করিস , বেশি উতলা হইস না, না হইলে ব্যথা লাগতে পারে।
২০১০ঃ করার সময় জোরে জোরে চিৎকার দিশ যাতে অ বুঝতে পারে যে এটাই তোর প্রথম ।:P

Read More...

একটা পিচ্চি ছেলে আরেকটি পিচ্চি মেয়ে পাশাপাশি দুইটি বাড়িতে থাকে। ছেলেটির মা ছেলেটিকে একদিন একটা ফুটবল কিনে দিল। ছেলেটি সেটা মেয়েটিকে দেখালে মেয়েটি বলল আমাকে খেলতে নাও। ছেলেটি বলল, ‘এটা ছেলেদের খেলা। তুমি খেলতে পারবে না।’
মেয়েটি মন খারাপ করে চলে গেল। পরেরদিন মা’কে বলে নিজে একটা ফুটবল কিনে ছেলেটিকে দেখিয়ে দেখিয়ে বাড়ির সামনে একা একা খেলতে লাগল।
ছেলেটি এবার একটা সাইকেলের ব্যবস্থ
া করে মেয়েটিকে দেখিয়ে বলল, ‘তুমি এটা চালাতে পারবে না।’
কিন্তু দেখা গেল পরেরদিন মেয়েটিও সাইকেলে চড়ছে।
ছেলেটি এবার প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বলল, ‘এবার যাও, পারলে তোমার মা’কে বলো তো এমন কিছু তোমাকে কিনে দিতে পারে কিনা?’
পরের দিনে মেয়েটি বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে নিজের প্যান্ট খুলে নিজের গোপনাঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘মা বলেছে যতদিন আমার এইটা থাকবে ততদিন তোমার মত ওরকম জিনিসের অভাব হবে না।’

Read More...

" কোন কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু বৈধ না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত বৈধও না"

একজন ছাত্র আইন বিষয়ক একটি বিষয়ে ফেল করল।ফলে সে ওই বিষয়ের স্যারের সাথে কথা বলল।

ছাত্রঃ স্যার, আপনি কি আইন সম্বন্ধে সবকিছু জানেন?

শিক্ষকঃ অবশ্যই জানি


ছাত্রঃ তাহলে স্যার আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করব, আপনি যদি ওই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারেন তাহলে আপনি আমাকে আপনার সাবজেটে যা নম্বর দিয়েছেন সেটি আমি মেনে নেব।আর যদি আপনি উত্তর দিতে না পারেন তাহলে আপনি আমাকে "এ" গ্রেড দিতে হবে।

শিক্ষক তাতে রাজি হল

ছাত্রটি স্যারকে জিজ্ঞেস করল " কোন কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু বৈধ না, কোন কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত বৈধও না"

শিক্ষক এই প্রশ্নগুলো নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিন্তা করল কিন্তু নিজে কোন উত্তর বের করতে পারল না। কোন উত্তর দিতে না পেরে শেষে শিক্ষক ওই ছাত্রকে "এ" গ্রেড দিয়ে দিল।

পরের দিন শিক্ষক ক্লাসে গিয়ে ছাত্রদের এই প্রশ্নটি করল।

ক্লাসের সব ছাত্র হাত তুলল।এতে শিক্ষক অবাক হয়ে গেল। তাদের মধ্য থেকে সে একজন ছাত্রকে উত্তর দিতে বলল। ছাত্রটি বলল " স্যার আপনার বয়স ৬০ এবং আপনি বিয়ে করেছেন একজন ২৩ বছরের মেয়েকে। এই কাজটি আইনত বৈধ কিন্তু যুক্তিসঙ্গত না।

আপনার স্ত্রী একজন ২৩ বছরের যুবকের সাথে প্রেম করছে যেটি যুক্তিসঙ্গত কিন্তু কোনমতেই বৈধ নয়।

আপনার স্ত্রীর প্রেমিক পরীক্ষায় একটি বিষয়ে ফেল করল কিন্তু তবুও আপনি তাকে "এ" গ্রেড দিয়েছেন। এই কাজটি যুক্তিসঙ্গতও না আবার আইনত বৈধও না.

ছাত্রের উত্তর শুনে শিক্ষক অচেতন হয়ে পরে গেল,,,,,,,,

Read More...

পথে সর্দারজিকে ধরে বসেছেন এক বিক্রয়কর্মী, ‘সর্দারজি, এই পাউডারটা নিয়ে যান, মাত্র ১০ টাকা দাম।’
সর্দারজি: কী হবে এই পাউডার দিয়ে?

বিক্রয়কর্মী: বাড়ি গিয়েই আপনার বাড়ির তেলাপোকা, পিঁপড়া, যত পোকামাকড় আছে, ওসবের গায়ে ছিটিয়ে দেবেন, দেখবেন কী চমৎকার কাজ হয়!




'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
'
সর্দারজি: মাথা খারাপ! আজ পাউডার দিলে কাল ওরা লিপস্টিক চেয়ে বসবে!

Read More...

বরাবর,
স্কুলের বাইরে গিয়া নাম দেই'খা আয়..................
বিষয়ঃ পরীক্ষা ফী মাফ করন লাগব।


হোনেন,

কথা হইতাসে যে, বাপে আমারে ৫০০ টা টাকা দিসিলো পরীক্ষা ফী দেওনের লাইগা। ১০০ টাকা দিয়া সিনেমা দেখসি, ১৫০ টা টাকা দিয়া আবার ক্যানটিনে পার্টি দেওন লাগসে, ৫০ টাকা আমার জানের মোবাইলে ফ্লেক্সি করা লাগসে। আর ২০০ টাকা বাজিতে হাইরা গেসি। ইংলিশ মেডামের লগে সমাজ স্যারের ইটিশ-পিটিশ লয়া বাজি ধরসিলাম। কিন্তু ম্যাডামের লগে ইতিশ-পিতিশ ত তর চলতাসে।
অনেক জালাইসস আমারে। এখন তর কাছে দুইটা রাস্তা খোলা। ফিস মাফ নাইলে পর্দা ফাঁস। তাড়াতাড়ি ডিসিশন লয়া আমার ফেসবুকে ম্যাসেজ পাঠা

নাম কমুনা
রোল ***

Read More...

এক তরুণী মেয়ে দোকানে গেল একটা কথা বলা টিয়ে পাখি কিনতে।
দোকানদার একটা পাখির খুব প্রশংসা করল,এটা নাকি সব বুঝে ,
নিজে থেকেই অনেক কিছু শিখে নেয়।
মেয়েটা খুশি হয়ে পাখিটাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করল ,
"আচ্ছা আমাকে দেখে আমার সম্পর্কে কিমনে হয় তোমার?"
পাখিটা ঠাস করে বলে বসল,..."বেশী সুবিধার না, বাজে মাইয়া!"
...
মেয়েতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেল !
রেগেমেগে দোকানদারকে গিয়ে অভিযোগকরল ।
দোকানদার পাখিটাকে ধরে এক বালতি পানিতে ...
কয়েকটা চুবানি দিল , এরপর জিজ্ঞেস করল,
"আর খারাপ কথা বলবি?"
পাখিটা ভালো মানুষের(!) মত মাথা নাড়ায় আর বলে ,
"না না , আর বলব না"
মেয়েটা খুশি হয়ে আবার জিজ্ঞেস করে ,
=>"আচ্ছা আমি যদি রাতে ঘরে একজন পুরুষ নিয়ে ঢুকি ,
তুমি কি মনে করবে?"
=>"তোমার স্বামী"
=>"যদি দুজনকে নিয়ে ঢুকি?"
=>"তোমার স্বামী আর দেবর"
=>"যদি তিনজনকে নিয়ে ঢুকি?"
=>"তোমার স্বামী , দেবর আর ভাই ।"
=>"যদি চারজনকে নিয়ে ঢুকি?"
পাখিটা দোকানদারকে চেঁচিয়েডাকল,

"ঐ মিয়া বালতি নিয়া আও !
আগেই কইছিলাম এই মাইয়া সুবিধার না , বাজে মাইয়া

Read More...

সে এক আদ্যিকালের কথা।এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি।বুড়ির খুব দু্ঃখ।তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে,কোন ছেলেপেলেও নেই।আছে শুধু একটা ছাগল।ভিক্ষা করে কোনরকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে।

তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে।এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ।বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়?যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে।

তারপর যা হয় আর কি।এক জ্বিন এসে হাজির।বলল,হুকুম করুন।আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।

বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল,আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।

যো হুকুম।বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল।

আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?

আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।

তাই হল।

তৃতীয় ইচছা কি?

আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনআবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।

বুড়ির এই ইচছাও পূরণ হল।

আমি এখন মুক্ত।এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।

সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির(যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে।বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল।বুড়ির কানে কানে সে বলল,আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন??? X( X(( X( X((

Read More...

এক জাপানি ভদ্রলোক এসেছেন বাংলাদেশ ভ্রমনে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সামনে অপেক্ষারত একটা ট্যাক্সিতে চড়ে বসলেন হোটেলে যাওয়ার জন্য।

একটু পরে একটা মোটরবাইক পাশ কাটাতেই জাপানিটা সোল্লাসে বলে উঠল, হোন্ডা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ড্রাইভার কিছু বলল না।

একটু পরে ওভারটেক করল একটা কার, আবার জাপানির চিৎকার, টয়োটা, হাহা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ট্যাক্সি ড্রাইভার চুপচাপ শুনল, কিছু বলল না।

এরপর একটার
...
পর একটা গাড়ি পেছন থেকে উঠে যাচ্ছে আর জাপানি লোকটার উৎসাহ বেড়ে যাচ্ছে, কখনও মিৎসুবিশি, কখনও হোন্ডা, কখনও টয়োটা বলে লাফাচ্ছে আর মনের আনন্দে গুনকীর্তন করছে, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ভেরী ফাস্ট!!

অবশেষে, হোটেলে পৌছল তারা। ক্যাব থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে টাসকি, এইট হান্ড্রেড টাকা? হাউ কাম?

এতক্ষণ চুপ থাকার পর কথা বলার চান্স পেয়েছে ট্যাক্সি ড্রাইভার, হাহা, ইয়ে মিটার, মেড ইন বাংলাদেশ, ভেরী ফাস্ট! ভেরী ফাস্ট!!

Read More...

শাশুড়ী ছেলের বউকে পরীক্ষা করে দেখছে যে ছেলের বউ
তাকে কতটা সম্মান করে-----

শাশুড়ীঃ বউমা তুমি আমাকে কত
ভালোবাসো এবং সম্মান করো ?

ছেলের বউঃ আম্মা ভালোবাসা তো প্রকাশ করা যায় না । তবে সম্মান টা একটু হলেও দেখানো যায় আর আপনি আমার অনেক সম্মানের মানুষ.... আপনার
পায়ের পাশেই তো আমাদের
জায়গা

শাশুড়ীঃ বাহ...তার মানে আমি যদি বিছানায় বসি..তুমি তাহলে আমার পায়ের পাশে বসবে ?

ছেলের বউঃ না আম্মা...আমি বিছানার পাশে আপনার পায়ের
সাথে চেয়ারে বসবো....আপনি সবসময় আমার উপরে থাকবেন..

শাশুড়ীঃ হুমম্ আমি যদি চেয়ারে বসি তাহলে?

ছেলের বউঃ আম্মা আমি মোড়া তে বসবো ...

শাশুড়ীঃ আমি যদি মোড়া তে বসি??

ছেলের বউঃ আমি তাহলে পিড়িতে বসবো

শাশুড়ীঃ আমি যদি পিড়িতে বসি??

ছেলের বউঃ তাহলে আমি মাটিতে বসবো আম্মা

শাশুড়ীঃ আমি যদি মাটিতে বসি?

ছেলের বউঃ আম্মা আমি তাহলে মাটিতে একটি গর্ত খুঁড়ে সেটাতে বসবো...

শাশুড়ীঃ আর আমি যদি গর্তটি তে বসি?
.
.
.
.
.
.
ছেলের বউঃ তাহলে কি আর করবো আম্মা!! আমি গর্তটি তে মাটি ফেলে চাপা দিয়ে চলে আসবো!!!/:)/:)/:)

Read More...

স্যার পল্টুকে বললেন...........

স্যারঃ তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
পল্টুঃ ফেসবুক ইউজ
স্যারঃ আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড়

হয়ে তুমি কি হবে ?
পল্টুঃ ফেসবুক ইউজার
স্যারঃ আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
পল্টুঃ পোষ্টে লাইক
স্যারঃ গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
পল্টুঃ পেজ খুলব
স্যারঃ গর্দভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
পল্টুঃ আমার আকাউন্টের পাসওয়ার্ড
স্যারঃ ইয়া খোদা... তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
.
.
.
.
পল্টুঃ আপনার মেয়ের আকাউন্ট হ্যাক করা।

স্যার অজ্ঞান!:):):)

Read More...

এক লোক মারাত্মক আহত হয়েছে।
হাতে লম্বা সেলাই দেয়া লাগবে।
অপারেশন টেবিলে শুয়ে সে কাতর
চোখে ডাক্তারকে বললো, ডাক্তার
সাহেব একটা কথা আছিল।

Read More...

এক লোক একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা। ১ম দরজায় লেখা: বাঙালি খাবার, ২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার, ৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।
লোকটি তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।

১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন?
 লোকটি রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই ‘এখানেই খাবেন?’ লেখা দরজায় ঢুকলেন। সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি।

১ম দরজায় লেখা: এসি;
২য় দরজায় লেখা: নন এসি।
 লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।

১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন?
২য় দরজায় লেখা: বাকিতে খাবেন?
 লোকটি ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয়, তাই তিনি ‘বাকিতে খাবেন?’ লেখা দরজাটা খুললেন। খুলতেই নিজেকে রাস্তায় আবিষ্কার করলেন!

Read More...

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী একবার স্বগ ভ্রমণের সুযোগ পেলেন।যথাসময়ে তিনি স্বগ পৌছুলেন।দেখলেন পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি।কিন্তু একেক ঘড়িতে একেক সময়।অনেক চিন্তা ভাবনা করেও তিনি এর কারন বের করতে পারলেন না।

তিনি এক দেবতার কাছে জানতে চাইলেন,"আচ্ছা পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি কেন?আর একেক ঘড়িতে একেক সময়। সময় দেখার জন্য তো একটা ঘড়িই যথেস্ট।বাকি ঘড়িগুলোর কাজ কি?"

দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"এই ঘড়িগুলো পৃথিবীর একেক দেশের তথ্যমন্ত্রির জন্য বরাদ্দ।যিনি যত বেশি মিথ্যা কথা বলেন তার ঘড়ির সময় তত এগিয়ে যায়।প্রতিটি মিথ্যা কথার জন্য সময় ১৫ মিনিট এগিয়ে যায়। X( "

"হুমম" মাথা নাড়লেন তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী।"আমি কি একবার ঘড়িগুলো দেখতে পারি?"

"নিশ্চয়ই।"

ঘুরে ঘুরে ঘড়িগুলো দেখতে লাগলেন তিনি। প্রতিটি ঘড়ির ওপর তথ্যমন্ত্রির নাম আর দেশ লেখা।তিনি অবাক হয়ে দেখলেন সব দেশের
তথ্যমন্ত্রির নামে ঘড়ি আছে আর তার সময়ও এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির নামে কোন ঘড়ি নাই।একই সাথে তিনি বিস্মিত আর আনন্দিত হলেন।আর যাই হোক তার স্বামী মিথ্যাবাদী নয়।

তবুও কৌতুহল মেটাতে না পেরে তিনি দেবতাকে জিজ্ঞেস করলেন,"আমার স্বামীর জন্য কোন ঘড়ি নেই?"

দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"আছে।"

"কোথায় সেটা?"

"জিউসের ঘরে।"

"কেন?"

"আপনার স্বামীর ঘড়ির কাঁটা এতই দ্রুত ঘোড়ে যে জিউস ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করেন । B-) B-) B-)"

Read More...

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’

স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’

স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’

এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’

স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’

Read More...

একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন। সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।

তো তারা গেলেন খালেদা জিয়ার কাছে। ম্যাডাম, কাঁঠাল কোন লিঙ্গ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না। আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি। তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না।

তখন তারা গেল এরশাদের কাছে। এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঁঠাল হল পুং লিঙ্গ। কারণ কাঁঠালের বিচি আছে।

এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।

আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ? জানতে চাওয়া হল খালেদা জিয়ার কাছে। খালেদা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে। সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।

এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ। এবারও যথারীতি খালেদা জিয়া ফেলটুস। বলতে পারলেন না। অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা। তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।

Read More...

আবুল মিয়া গ্রাম থেকে শহরে নতুন এসেছেন।জীবনে এই প্রথম শহরে আসা,গা থেকে এখনও মাটির গন্ধ মুছে যায়নি।যা দেখছেন তাতেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন। ভাবছেন, আহা কি সৌন্দয।হাতে কিছু কাচা টাকা আছে।তাই সবকিছুই কিনে ফেলতে ইচ্ছে করছে।

কিন্তু না।আবুল সবকিছু কিনবে না।কারন সে ভাল করেই জানে চকচক করলেই সোনা হয় না।যা কিছু সুন্দর তা-ই যে আবুলের কাজে লাগবে এমন কোন কথা নেই।তাছাড়া এগুলো তো আর আবুলের টাকা নয়।তার ভাইজানের টাকা।ইচ্ছেমত খরচ করা যাবে না।ভাইজানকে হিসাব দিতে হবে।

ওহহো... আবুলের বড় ভাই কাবুল মিয়ার কথাতো আপনাদের বলতে ভুলেই গেছি।কাবুল মিয়া আবুলের বছর পাচেকের বড়।নকল করে কোনরকমে এস এস সি পাস করেই পাড়ি জমিয়েছে দুবাই।মাসে মাসে টাকা পাঠিয়েছে যা দিয়ে সংসার চলেছে।এখনও তার আয়েই ঘর চলছে।

তো আসল কথায় আসা যাক।কাবুল মিয়ার বয়স ত্রিশ পেরিয়ে গেছে, দুবাই আছে আজ দশ বছরের বেশি সময় ধরে।পরিবার থেকে তার আর দূরে থাকতে ভাল লাগে না, কাজ শেষে ঘরে ফিরে তারও কারও সাথে সুখ দুখের কথা বলতে ইচ্ছে করে।আবুল ভেবেছিল ভাইজান হয়তো সবাইকে দুবাই নিয়ে যাবে, বিদেশ যাবে-এই ভেবে দারুন আনন্দিত হয়েছিল সে।কিন্তু আম্মা বুঝিয়ে দিলেন এই পরিবার তো আর সেই পরিবার নয়, এই পরিবার মানে বিয়ে।

সুতরাং কাবুলের বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।কাবুলদের এখন অবস্থা ফিরেছে, তাই অনেকেই তার সাথে মেয়ের বিয়ে দিতে চায়।কিন্তু কাবুল নিজে যেহেতু ডিগ্রীধারি( এস এস সি পাস) তাই তার বউও শিক্ষিত হতে হবে।গ্রামে ডিগ্রীধারি মেয়ে এক্টাই আছে, ফুলমতি- এটাও এস এস সি পাস।অতএব দুজনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেল।

কাবুল তার ছুটির তারিখ জানিয়ে দিল, বলে দিল সে কবে দেশে ফিরবে।সে হিসেবে বিয়ের তারিখ ঠিক হল।কিন্তু ঝামেলা বাধল অন্য জায়গায়।ফুলমতির বাবা জানিয়ে দিলেন বিয়ের পর মেয়েকে দুবাই নিয়ে যেতে হবে।কাবুল বলল, দুবছরের আগে সেটা সম্ভব নয়।তখন তিনি জানিয়ে দিলেন এই দুবছর মেয়েকে শহরে রাখতে হবে, নইলে তিনি মেয়ে বিয়ে দেবেন না।

ফুল্মতির বাবার দাবী মেনে নেয়া হল।

কাবুল বেশ মোটা অঙ্কের টাকা পাঠিয়ে দিল, আবুলকে দায়িত্ব দেয়া হল শহরে বাসা খোজার।আবুল বাসা খুজে বের করল, ঠিক হল বিয়ের পর ভাইয়া-ভাবী এখানেই থাকবেন।কিন্তু শুধু বাসা ভাড়া করলেই তো হবে না, সেই বাসায় থাকতেও হবে।অতএব বাসা সাজানো দরকার, বাসার জন্য আসবাব দরকার।কাজে নেমে পড়ল আবুল।

খাট-পালঙ্ক আর সোফা কেনা হয়ে গেল।লাইট আর ফ্যান বাড়িওয়ালা দেবে।আবুল ভাবতে লাগল আর কি কেনা যায়।এমন সময় এল কাবুলের ফোন।

-হ্যালো, ভাইজান কেমুন আছেন?
-ভালা।তুই?
-আমিও ভালা।
-তোর সব কাম শেষ?
-খাটপালঙ্ক কিন্যা ফালাইছি।
-আর কিছু কিনস নাই?
-আর কি লাগব কন?
-টেলিভিশন কিনছস?
-না ভাইযান।কিনুম?
-এক্ষনি কিন্যা ফালা।
-আইচ্ছা।
-আর হোন।
-কন।
-ডিশের লাই নিয়া নিবি।
-এইটা আবার কি জিনিষ?
-ডিশে সোন্দর সোন্দর পুগেরাম দেখায়।তোর ভাবী ওইগুলা পছন্দ করব।
-আইচ্ছা।

লাইন কেটে গেল।

দুই।

আজ আবুল টিভি কিনতে যাচ্ছে।রিকশা নিয়ে সোজা চলে গেল শোরুমে।ভিতরে ঢুকে পড়ল।অনেক্ষন ঘুরে ফিরে একটা টিভি তার পছন্দ হল।

এমন সময় একজন তার দিকে এল।
-স্যার।
শব্দ শুনে ঘুরে তাকাল আবুল।
-আমারে কন?
-জ্বি স্যার।আপ্নাকে কি কোনভাবে সাহায্য করতে পারি?
-হ ভাই।আমি এই টিভিটা, হাত দিয়ে দেখিয়ে বলল আবুল, কিনতাম চাই।
লোকটা অবাক হয়ে একবার টিভির দিকে আর একবার আবুলের দিকে তাকাতে লাগল।
-কি অইল? বিরক্ত হয়ে জানতে চাইল আবুল।
-স্যার আপনি কি শিওর এটাই কিনবেন?
-আরে ভাই কবার কমু এটাই কিনুম।
-আপনার কোন ভুল হচ্ছে না তো?
-না।চেচিয়ে উঠল আবুল।

লোকটার মুখে এবার হাসি ছড়িয়ে পড়ল।
-অই মিয়া, কি অইল?

লোকটা এবার হাসতে হাসতে বলল, আপনি দয়া করে বেরিয়ে যান।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না। X( X( X( X(

তিন।

পরদিন।

আবুলের মাথায় আগুন জ্ব্লছে।হারামজাদার এতবড় সাহস।নোয়াখালির লোকদের কাছে কিছু বিক্রি করবে না।দাড়া, দেখাচ্ছি মজা। বিক্রি না করে যাবে কোথায়?আমিও শালার খাটি নোয়াখাইল্যা- তোর থেকে ওই টিভি কিন্যা ছাড়ুম।

অতএব আবার সেখানে যাত্রা।

ঢুকেই এদিক ওদিক তাকাল সে।নাহ, আজকে ওখানে নতুন সেলস্ম্যান।গতকালেরটাকে দেখা যাচ্ছে না।

টিভির দিকে এগিয়ে গেল আবুল

-বাই।
-বলুন স্যার আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
- আমি ওই টিভিটা কিনতাম চাই। আঙ্গুল দিয়ে দেখাল সে।

লোকটা হতাশ হয়ে মাথা নাড়ল।
-স্যরি স্যার।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না। X( X( X( X(

চার।

এ এক বিরাট ধাধা।শহরের প্রতিটা লোকই কি নোয়াখাইল্যাদের চেনে?
কিন্তু তা কি করে হয়? নোয়াখাইল্যাদের চেনা ছাড়া কি এদের আর কোন কাজ নেই?

আবুল ঠিক করল আজ সে ছদ্মবেশে যাবে।

যেই ভাবা সেই কাজ।কাবুল গতবার আরবদের পোশাক নিয়ে এসেছিল।তাই পড়ে আর নকল দাড়ি গোফ লাগিয়ে সে যাত্রা করল।

ঢুকেই এদিক ওদিক তাকাল সে।নাহ, আজকে ওখানে নতুন সেলস্ম্যান।গত দুইদিনের একটাকেও দেখা যাচ্ছে না।

-আসসালামুয়ালাইকুম আমার মুসলিম ভাই।
সেলস্ম্যান এগিয়ে এল।
-বলুন স্যার কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
মুখে যথাসম্ভব আরবি টান এনে, আমি তুমার টিভি কিনতে চাই।
-কোনটা?
-ওইটা।আঙ্গুল দিয়ে দেখাল সে।
-হুম্ম।সেলস্ম্যান একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।স্যরি স্যার।আমরা নোয়াখাইল্যাদের কাছে কিছু বিক্রি করি না।

X( X( X( X(

-কিভাবে সম্ভব?কেমনে সবাই বুঝে আমি নোয়াখাইল্যা??

-কারন একমাত্র নোয়াখাইল্যারাই ওভেন দেখে সেটাকে টিভি বলে ভাবতে পারে। B-)) B-)) B-))

আমার কথা: এটা নিছকই একটা গল্প।আমার মৌলিক গল্প না, শোনা গল্প।আমি শুধু নিজের ভাষায় লিখলাম।কাউকে হেয় করা বা কারো মনে আঘাত দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। কারও খারাপ লাগলে সেজন্য দুঃখিত।

Read More...


বাবাঃ আমার জন্য একটা ড্রিঙ্কস নিয়ে আসো তো দোকান থেকে ।
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ ঠাণ্ডা অফকোর্স !
ছেলেঃ বাবা পেপ্সি নাকি কোক ?
বাবাঃ পেপ্সি
ছেলেঃ বাবা বোতলের নাকি টিনের ?
বাবাঃ বোতলের ,
ছেলেঃ বড় বোতল নাকি ছোট বোতল ?
বাবাঃ ছোট বোতল ,
ছেলেঃ আচ্ছা বাবা নরমাল নাই ডায়েট ?
বাবাঃ ধুরু , লাগবেনা যা পানি নিয়ে আস একটা ,
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ অফকোর্স ঠাণ্ডা ,
ছেলেঃ বাবা খাওয়ার পানি নাকি ইয়ুজ করার জন্য ?
বাবাঃ মাইর খাবি এখন !!
ছেলেঃ বাবা হাত দিয়ে নাকি লাঠি দিয়ে ?
বাবাঃ বেশি কথা বলস , যা ভাগ সামনে থেকে ,
ছেলেঃ বাবা দৌড় দিয়ে ভাগব না হেটে হেটে ?
বাবাঃ বেয়াদব , দিন দিন জানোয়ার হইতাসস !
ছেলেঃ কোন জানোয়ার ? কুত্তা নাকি বিলাই ?
বাবাঃ আমি এখন তোরে জবাই করবো , যা বলসি !!
ছেলেঃ বাবা চাকু দিয়ে নাকি বটি দিয়ে ?
বাবাঃ বটি দিয়ে !!
ছেলেঃ টুকরা টুকরা নাকি বড় বড় পিস ?
বাবাঃ হারামি তুই যাবি ??
ছেলেঃ বাবা একলা যাব নাকি তোমার সাথে যাব ?
বাবাঃ তোর উপর থাডা পরুক !
ছেলেঃ বাবা ভুমিকম্প নাকি বজ্রপাত ?
বাবাঃ ওহ খোদা আমার হার্ট এ পেইন হচ্ছে !
ছেলেঃ বাবা হসপিটাল এ নিয়ে যাব নাকি ডক্টর ডাকব ??
বাবাঃ পানি দে আমাকে
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ নরমাল
ছেলেঃ বাবা খাবে নাকি ইয়ুজ করবে ?? .........



আর লিখতে পারলাম না :P লিখলেই বাপ টা মরে যাবে :P 

Read More...


পুরুষ যত শক্তিমানই হউক না কেন, বিবাহের পর পরই কেমন যেন পুতাইয়া যায়! সেই পুতানোর ধরন এমনই যে, যেই পুরুষ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠিয়াই নিয়মিত ব্যায়াম করিয়া শরীরের বাইসেপ- ট্রাইসেপ বাড়াইতো--আজ সেই তার বউয়ের হাত-পায়ের বাইসেপ টিপিয়া আদরে ঘুম পাড়াইয়া দেয়!! বাবা মায়ের এত কষ্টের তৈরী সুউচ্চ মেরুদন্ডের পিলার, বাসর রাতের পর থেকেই কেমন নড়বড় করিতে থাকে!!


যাহাদের মেরুদন্ডের পিলার এহেন নড়বড়ে, তার একটাই কারণ। উনারা বাসর রাতেই বিলাই মারিতে ব্যর্থ হয়েছেন! আর যারা প্রথম পনের মিনিট কাম-ক্রোধ আটকাইয়া শক্ত হাতে বিলাই মারিতে পারে, তারাই ভবিষ্যতে নিজেদের মেরুদন্ডের পিলারে সিমেন্ট লাগাইতে সমর্থ হয়।



সুতরাং, বাসর রাত শুনিয়াই শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গা না চু্লকাইয়া-- আসেন দেখি কিভাবে সহজেই বিলাই মারা যায়!



পদ্ধতি ১. দুরুদুর বুকে নতুন বউ যখন আপনার পায়ে ধরে সালাম করিতে আসিবে ..... তখনি পিছাইয়া যান! গম্ভীর কন্ঠে বলেন -->''আমার পা অতি পাক। উহা স্পর্শ করিতে হইলে
তোমাকে সাবান দিয়া হাত ধুইয়া আসিতে হইবে!!" নতুন বউ আর কি বলিবে?! হাত ধুইয়া আসিয়া যখন আবার আপনার পা ধরিয়া সালাম করিবে, ততক্ষণে আপনার বিলাই মারা শেষ!



পদ্ধতি ২. নতুন বুউয়ের খোমা দেখে-- 'পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে গিয়ে দেখেছিনু তোমায়'-- টাইপ ডায়লগ দিলেন- তো গেলেন! বরঞ্চ সন্দেহজনক ভাবে তাকাইয়া থাকেন। আর রহস্যময় গলায় কন --''তুমার চেহারা কেন জানি খুবই পরিচিত লাগতাছে! মনে হয় রমনায় অন্য কোন পুলার সাথে
দেখছিলাম!!" বউ যতই আত্মপক্ষ সমর্থন করুক না কেন, আপনি খালি অবিশ্বাসের হাসি হাসতে থাকেন। এহেন সন্দেহের ফলে বিলাই যে পুরাই চিকায় পরিণত হইবে- সেই ব্যাপারে নিচ্চিত থাকতে পারেন!!





পদ্ধতি ৩. বাসর ঘরে বিছানায় উঠেই অনেকে আবেগে কাইত হয়া যায়! আপনি তা না করে বরং খাটের চিপা চাপা থেকে একটা ছারপোকা খুঁজে বার করেন। এরপর হিংস্র ভাবে উহা
টিপিয়া মারিয়া বউয়ের দিকে তাকাইয়া ঠান্ডা গলায় বলেন --> "আমার নিরব শত্রুদের আমি এইভাবেই পিষে মারি!" এভাবে দেখবেন, বিলাই নিরবেই মারা পড়িবে।





পদ্ধতি ৪. বউয়ের নাক-কান দেখিয়া মুগ্ধ হইলেন তো বিল্লী মারার খেলায় ডাক মারিলেন! বরঞ্চ, খুঁত বাইর করেন। আর বলদ বলদ গলায় বলিতে পারেন -- >"আহা.... তোমার নাক দেখি অতিশয় লম্বা! সমস্যা নাই, আমার হাতের একাধিক রাম থাবড় খাইলেই নাক স্ব স্থানে বসে যাইবে।" -- এহেন ডায়লগের পর বিল্লি আপনাতেই আত্মহত্যা করিবে বলিয়া আশা করা যায়!





পদ্ধতি ৫. আপনার কাম- ক্রোধ উত্তেজনা যদি অতি বেশী হয়- অর্থাৎ বিলাই মারার জন্য পনের মিনিটের ধৈর্য্যও যদি না থাকে ........ তাহলে আরেকটা পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে
পারেন। বাসর ঘরে ঢুকেই ফরাৎ করে পাঞ্জাবী ছিড়িয়া এবং কুইক পাজামা খুলিয়া বিছানায় ঝাপাইয়া পড়িয়া বউয়ের হাত ধরিয়া বলেন --"ভালোবাসা দিবি কিনা বল!?!" এহেন আকস্মিক ঘটনায় ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়া বিলাই মরে যেতে পারে!



জানিনা এহেন টিপসে আপনার কাজ হইবে কি না! কারণ, আমি যে অবিবাহিত!! তবুও রিস্ক লইয়া ট্রাই লইবেন , প্রত্যাশা রইলো!!



পরিশেষে.... মেরুদন্ড সোজা করিয়া দাড়াইতে পারেন না যেসব ভাইজান; তাহাদের জন্য দু 'লাইন--


"বউ পিছ পিছ ঘুরিছে দেখ অভাগা পুরুষ জাতি
বাসর রাতেই বিলাই মারিলে কি ছিলো এমন ক্ষতি!!"

Read More...


মতলব মিঞা একদিন এক হোটেলে বসে নাস্তা খাচ্ছিলো, সেখানে উচ্চ আওয়াজে গান বাজছিলো| এমন সময়ে তার বায়ু ত্যাগ করার প্রয়োজন হলো | চারপাশ একবার দেখে নিলো সে; সকলেই খাওয়া-দাওয়ায় ব্যাস্ত তাছাড়া যেহেতু উচ্চ আওয়াজে গান বাজছে তাই সে ভাবলো কেউ খেয়াল করবেনা| বিকট শব্দে সে তার কার্য সম্পাদন করলো এবং reLaxed হয়ে পুনরায় খাওয়া শুরু করলো|
হঠাৎ সে লক্ষ্য করলো হোটেল এর সবাই তার দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে আছে ...
“কি ব্যাপার??” কিছুক্ষন অবাক হয়ে ভাবলো সে|
এরপরেই নিজেকে কিছু গালি দিলো,

কারণ মতলব মিঞা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলো যে সে iPod এ গান শুনছিল|

Read More...


বিয়ের ১০ বছর পূর্তিতে স্ত্রী বিষন্ন ভঙ্গিতে স্বামীকেঃ "তুমি আমাকে কখনোই ভালোবাসোনি!"
.
... .
.
.
স্বামী রেগে গিয়েঃ
"তাহলে এই হাফ ডজন ছেলে-মেয়ে কি আমি internet থেকে download করছি?!?
.
.
.
.
স্ত্রী ততোধিক রেগেঃ
তোমার যা download speed !!! এগুলো আমি পাশের বাড়ির বল্টু, পল্টু আর পিন্টুর 'পেন ড্রাইভ' থেকে নিয়েছি...:O


Read More...


বিয়ের ৩ মাস পরই হাবলু'র বউ-এর বাচ্চা হল...

হাবলু তার বউকে জিজ্ঞাসা করলোঃ “আচ্ছা,আমাদের বিয়ের ৩ মাস পরই বাচ্চা কেমনে হল?”

হাবলু'র বউ বললোঃ “তোমার বিয়ের কয় মাস হইসে?”

হাবলু কয়ঃ “৩ মাস!”

হাবলু'র বউ আবার জিগায়ঃ “আমার বিয়ের কয় মাস হইসে?”

হাবলু আবারো কয়ঃ “৩ মাস!”

হাবলু'র বউ আবার জিগায়ঃ “আর, বাচ্চা কয় মাস পরে হইসে??”

হাবলু আবারো কয়ঃ “৩ মাস!”

এইবার হাবলুর বউ জিগায়ঃ “তাহলে মোট কয় মাস হইল?”

হাবলু খুশিতে লাফাইতে লাফাইতে কইলোঃ “নয় মাস! আমি তো ভয় পাইয়া গেসিলাম!!”

হাবলুর বউ মুচকি হাইসা কইলোঃ








হ !! আমিও ডরাইসিলাম প্রথমে !!

Read More...


এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখল তিনটা দরজা

১ম দরজায় লিখা: চাইনিজ খাবার

২য় দরজায় লিখা: বাঙালী খাবার

৩য় দরজায় লিখা: ইংরেজ খাবার

লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লিখা: বাড়ি নিয়া খাইবেন

২য় দরজায় লিখা: হোটেলে খাইবেন

লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লেখা: এসি

২য় দরজায় লেখা: নন এসি

লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাই সে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন

১ম দরজায় লিখা: ক্যাশ খাইবেন

২য় দরজায় লিখা: বাকি খাইবেন

লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল :P

Read More...


এক সৈন্য ছুটতে ছুটতে এসে হাজির এক নানের কাছে।
"সিস্টার, আমাকে খুঁজছে এক দুষ্ট পুলিশ। আমাকে বাঁচান!" বললো সে।
"ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন, বাছা! তা আমি কিভাবে তোমাকে সাহায্য করতে পারি?" খোনা গলায় বললেন নান।
"আমি কি আপনার এই ঢোলা আলখাল্লার নিচে লুকাতে পারি?" জানতে চাইলো সৈন্য।
"নিশ্চয়ই।" সায় দিলেন নান। সৈন্য হামাগুড়ি দিয়ে তাঁর আলখাল্লার নিচে ঢুকে পড়লো।
খানিকক্ষণ বাদেই এক পুলিশ ছুটতে ছুটতে এসে হাজির।
"সিস্টার, এদিক দিয়ে কোন সৈন্যকে যেতে দেখেছেন?"
"হ্যাঁ বাছা। সে তো ওদিকে চলে গেলো ছুটতে ছুটতে।"
পুলিশ ধন্যবাদ জানিয়ে নানের দেখানো দিকে ছুটতে ছুটতে চলে গেলো।
আলখাল্লার নিচ থেকে বেরিয়ে সৈন্য বললো, "সিস্টার, আপনি আমাকে বাঁচালেন। আমি যুদ্ধে যেতে চাই না, কিন্তু ব্যাটারা আমাকে জোর করে পাঠাবেই!"
নান বললেন, "ঠিক আছে বাছা, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।"
সৈন্য বললো, "ইয়ে, সিস্টার, একটা কথা আপনাকে বলা দরকার। আলখাল্লার নিচে বসে দেখলাম কি না। দারুণ একজোড়া ঊরু আপনার!"

নান বললেন, "বাছা, আরেকটু ওপরে খেয়াল করলে দারুণ একজোড়া অন্ডকোষও দেখতে পেতে। আমিও যুদ্ধে যেতে চাই না ...।"

Read More...


রাজনীতি কাকে বলে ???

এক পেশাদার রাজনীতিবিদের ছেলে স্কুলে পড়ে। স্কুলের অন্যরা যখন বলে আমার বাবা ডাক্তার, আমার বাবা ব্যাংকার ইত্যাদি ইত্যাদি তখন তাকে বলতে হয় আমার বাবা রাজনীতি করে। কিন্তু শিশুরা যেহেতু রাজনীতি বোঝে না, তাই তারা জানতে চায়- রাজনীতি জিনিসটা কী?

ছেলে বাড়িতে এসে রাজনীতি কী তা বাবার কাছে জানতে চায়। বাবা জানে যে রাজনীতি একটা খারাপ জিনিস এবং তারা যে-রাজনীতি করে তা ছেলেকে বোঝানোও সম্ভবও নয়। তাই সে ছেলেকে রাজনীতি শিখাতে চায় না। কিন্তু ছেলে নাছোড়বান্দা।

অগত্যা বাবা একদিন ছেলেকে বোঝাতে শুরু করে- মনে কর, আমি সরকারী দল, তোমার মা দেশ, হালিমা (কাজের মেয়ে) জনগণ এবং তুমি বিরোধী দল।

বাবা এ পর্যন্ত বলতেই একটা জরুরী টেলিফোন আসে এবং তাকে বাইরে যেতে হয়। ছেলে সারাক্ষণ শুধু রাজনীতি ভাবতে থাকে-বাবা সরকারী দল, মা দেশ, হালিমা জনগণ এবং আমি বিরোধী দল। কিন্তু সে রাজনীতির কোন কূল-কিনারা করতে পারেনা।

রাতে শুয়ে শুয়েও তার ভাবনার শেষ হয় না এবং ঘুমও আসে না। সে চুপটি মেরে শুয়ে থাকে। মা ধমক দেবে তাই ভয়ে মাকে বলতেও পারছেনা যে তার ঘুম আসছে না।

রাতে বাবা যখন ফিরে আসে তখন হালিমা ঘুমিয়ে আছে। বাবা এসে খাওয়া-দাওয়া সেরে বিছানায় শুয়েই তার মার সাথে সেক্স করতে শুরু করে। ছেলে তখন ভাবে-সরকারী দল দেশের োঙ্গা মারে, বিরোধী দল চেয়ে চেয়ে দেখে আর জনগণ ঘুমায়। এই হলো রাজনীতি।

Read More...




এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।

এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।

প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

মুরগি জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।’

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

গরু জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।’

তার দেখা হলো একটা শুয়োরের সাথে। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

শুয়োর ঘোঁতঘোঁত করে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।’

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।

এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। ‘সুপ্রভাত।’ বললো জেব্রা। ‘তুমি এখানে কী করো?’

ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, ‘সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।’;);)

Read More...

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিন ক্যাম্পাসে নায়ক মাগুর আর নায়িকা ইলিশের সামনাসামনি ধাক্কা। ইলিশের হাত থেকে পড়ে গেল বই।
ইলিশ (নায়িকা): এই যে মিস্টার, দেখে চলতে পারেন না?
মাগুর (নায়ক): (ইলিশের বই তুলে দিতে দিতে) সরি ম্যাডাম, নদীর পানি এত ময়লা যে খালি চোখে কিছুই দেখতে পাই না। আচ্ছা আপনার নাম জানতে পারি?
ইলিশ: হাউ ডেয়ার ইউ? ধাক্কা দিয়ে আবার নাম জানতে চান? যত্তোসব কম পানির মাছ এসে পড়েছে বেশি পানিতে...
(মুখ ঝামটি দিয়ে চলে গেল নায়িকা ইলিশ, আর অপমানিত মুখে দাঁড়িয়ে রইল নায়ক মাগুর)

Read More...

টারজান ও জেনের তখন মাত্রই পরিচয় হয়েছে। জেনের কাছ থেকে টারজান একটু একটু কথা বলা শিখেছে। তো জেন টারজানের কাছে সেক্স সম্পর্কে জানতে চাইলো।
টারজান আধো আধো বুলিতে জবাব দিলো, "টারজান সেক্স জানেনা।" ;)
এটা শোনার পর জেন টারজানকে সেক্স কি তা বুঝিয়ে বললো। বোঝার পর টারজান জবাব দিলো, "টারজান গাছের ছোট গর্ত ব্যবহার করে সেক্স করতে।" :D;)

Read More...

নাতি বিয়ে করবে। এজন্য সেক্স সম্পর্কে জ্ঞান নিতে তার অভিজ্ঞ বৃদ্ধ দাদা কে প্রশ্ন করছে।
নাতি: "আচ্ছা দাদা, স্বাভাবিক ভাবে সেক্স কত বার করে করা যায়?"
দাদা: "তুমি তো নতুন বিয়ে করছো, ধরো বিয়ের পরের ১ বছর পর্যন্ত প্রতিদিনই, এমনকি মাঝে মাঝে দিনে একাধিক বারও সেক্স করতে পারবে। ২-৫ বছর পর্যন্ত সপ্তাহে ৩-৪ দিন, ৫-১০ বছর পর্যন্ত সপ্তাহে ১-২ দিন করে করতে পারবে। বিয়ের ১১-১৫ বছরে মাসে ২-৩ বার, ১৬-২০ বছরে মাসে ১

Read More...

হাসপাতালে এক মেয়ের বাচ্চা হয়েছে। বাচ্চাকে অন্য রুমে রেখে নার্স তাকে খবর দিলো, "আপনার ছেলে হয়েছে। আপনার স্বামীকে দেখছিনা যে?"
মেয়ে, "ইয়ে মানে, আমার বিয়ে হয় নি।"
নার্স, "তাহলে আপনার বয়ফেন্ড/পার্টনার কোথায়?"
মেয়ে, "আমি একা।"
নার্স, "ও আচ্ছা। আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আপনার জানা জরুরী যে আপনার ছেলেটি কিন্তু কালো হয়েছে!"
মেয়ে, "আসলে হয়েছে কি জানেন, গত বছর আমি খুব টাকার অভাবে ছিলাম। টিউশন ফি দিতে পরছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে একটি পর্ন মুভিতে কাজ করতে হয়েছিলো! আর ওখানে এক নিগ্রো ছিল!";)

Read More...

রনের সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি!:P
যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা রনকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে রনের মনে হয়!;)
যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি!:P
টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না। ;)

Read More...

এক লোকের সব কিছুই ঠিক ছিল। কিন্তু সমস্যা একটাই। তার আসল জিনিসটাই একটু ছোট! :((
তো বেশ কিছুদিন ধরেই একটি মেয়েকে পটাচ্ছিল এবং মেয়ের সাথে সেক্স করার তালে ছিল।
তবে তার ঐ ছোট জিনিসটার কারণেই সে বেশী দূর এগুতে সাহস পাচ্ছিল না। :|
তো একদিন সাহস করে সে তার বান্ধবীকে এপার্টমেন্টে নিয়ে এলো। ;)

Read More...

স্টিভ অনেক দিন ধরেই কম দামি, 2nd hand কিন্তু ভাল একটি মোটর সাইকেল খুঁজছিলো। শেষ সে এরকম একটা মোটর সাইকেল পেয়ে গেল। তবে সমস্যা ছিল একটাই। মোটর সাইকেল এর ট্যাংকে একটি লিক ছিল। তাই বৃষ্টি নামলে ঐ ছিদ্রটি ভ্যাসেলিন দিয়ে বন্ধ করা ছাড়া স্টিভ এর হাতে কোন উপায় ছিল না। এজন্য তার পকেটে সবসময় ভ্যসেলিনের কৌটা থাকতো।
তো এই অবস্থায় একদিন স্টিভের বান্ধবী অ্যানি স্টিভকে তার বাড়িতে ডিনার খেতে আমন্ত্রণ জানালো। স্টিভ যথা সময়ে তার বাইক নিয়ে অ্যানির বাসায় হাজির হলো।

Read More...

জন তার বন্ধু ক্রিস এর বাসায় গেল। দরজা খুলে দিল ক্রিস এর সুন্দরী বউ লিলি।:P
জন, “ক্রিস কি আছে?”
লিলি, “ও তো নেই।“
জন, “আমি কি ভেতরে ওর জন্য একটু বসতে পারি?”
লিলি, “আসুন।“

Read More...

এক পুলিশ গাড়িতে করে যাচ্ছিল।
হঠাৎ সে দেখল যে পার্কে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে অস্বাভাবিক কিছু করছে। গাড়ি থামিয়ে সে দেখতে পেল যে ছেলেটি মাতাল হয়ে বেহুশ হয়ে আছে আর মেয়েটি তার পাঁছার ছিদ্র দিয়ে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করছে ! :-*
ভীষণ অবাক হয়ে পুলিশ জিগ্গেস করলো, "কি হচ্ছে এখানে?"

Read More...

একবার এক রোগী হাসপাতালে গিয়ে দেখে যে, তার মতো আরেক রোগী বসে বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে।

দেখে তো সে অবাক, তাকে জিজ্ঞেস করল কি হইছে তোমার কান্দ ক্যান?

১ম জন কাঁদতে কাঁদতে জবাব দিল, আমি আইছিলাম রক্ত পরীক্ষা করাইতে, হেরা জোর কইরা আমার আঙ্গুল... ফুটা কইরা দিছে।

Read More...

এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।



Read More...

এক লোক এক বাড়ির পাশের দেয়ালের সামনে দাড়িয়ে পেশাব করছিলো।
হঠাৎ উপর থেকে এক মহিলা চেচিয়ে উঠলো ''সামনে দেয়াল্,চোখে পড়ে না"!






লোকটি উত্তর দিলোঃ-

"ইকটু সাইড থেকে দেখার চেষ্টা করুন পরিষ্কার দেখতে পারবেন্"! ;-P 

Read More...

লং ড্রাইভে সারারাত কাটিয়ে সকাল বেলা রাস্তার ধারে গাড়ী থামালেন আহসান সাহেব। ঘুমুবেন ঠিক করলেন।
 গাড়ী লক করে শুয়ে পড়েছেন, ঠিক এমন সময় গাড়ীর দরজায় ধাক্কা। দরজাটা খুলতেই একজন জিজ্ঞেস করলেন
    " আচ্ছা ভাই, কয়টা বাজে বলতে পারেন?"
      আহসান সাহেব বিরক্ত হলেও ভদ্রভাবেই জানালেন যে, আটটা পাঁচ বাজে।

কিছুক্ষণ পরেই আবার দরজায় ধাক্কা। দরজা খুলতেই ছোট ছেলেটা বলল, আংকেল, কয়টা বাজে,বলবেন একটু?
খুবই বিরক্তির সাথে আহসান সাহ...েব জানালেন, আটটা বিশ বাজে।

ছেলেটি বিদায় নেয়ার পর আহসান সাহেব একটা কাগজের উপর বড় করে লিখলেন "এখন কয়টা বাজে আমি জানিনা।"লেখাটি টাঙ্গিয়ে দিয়ে তিনি আবার ঘুমাতে গেলেন। ঘুমিয়েই পড়েছেন প্রায়, এমন সময় আবার দরজায় ধাক্কা। "কী চাই?" দরজা না খুলেই খেঁকিয়ে উঠলেন এবার আহসান সাহেব।

"এখন পৌনে নয়টা বাজে" গম্ভীর উত্তর এলো বাইরে থেকে!

Read More...

এক কিপটে গেছে চিরুনি কিনতে।
কিপটে: ভাই সাহেব, আমার একটা নতুন চিরুনি দরকার।

Read More...

হাবলু নতুন টেলিভিশন কিনেছে। বাড়ি ফিরেই সে টেলিভিশনটা এক ড্রাম পানির ভেতর ডুবিয়ে দিল। ঘটনা দেখে ছুটে এলেন এক প্রতিবেশী।
প্রতিবেশী: আরে, করছ কী, করছ কী?!

Read More...

এক লোক কোদাল দিয়ে গর্ত খুঁড়ছে। পাশ দিয়েই যাচ্ছিল এই গ্রামের আরেক লোক। সে জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে, গর্ত খুঁড়ছিস কেন?’

‘ছবি তুলব তো, তাই গর্ত খুঁড়ছি।’
‘ছবি তোলার জন্য গর্ত খুঁড়ছিস, মানে?’

Read More...

একটা পাত্রতে পানি নিন... চুলাতে বসান...

Read More...

আমাদের বল্টুর একবার বিজ্ঞানী হবার খুব শখ হলো!! সে একটা তেলাপোকা নিলো গবেষণার জন্য।। সে তেলাপকার একটা পা কাটল আর বলল “হাঁটো”!! তেলাপোকাটি কষ্ট করে হাঁটতে লাগলো।। 

Read More...

রফিকের ৯ বাচ্চা ঘরের মধ্যে খুব চিল্লাচিল্লি করছিল। এমন সময় এক বুড়া সাধু বাবা ডান্ডা হাতে ঠক ঠক করে হেটে যাচ্ছিল।


Read More...

পুরাতন বাংলা ফিল্ম এর ডায়ালগ ছিল "ছেড়ে দে শয়তান আমাকে ছেড়ে দে , তুই আমার দেহ পেলেও মন পাবি না"




Read More...

একবার এক বাঁশ ব্যবসায়ীর কাছে চান্দু ফোন করলঃ
চান্দু- বাঁশ আছে?
বাঁশ ব্যবসায়ী- জি আছে।
চান্দু- তো বাইরে রাখছোস কেন? ঢুকা তোরপিছনে!
ব্যবসায়ী তো রেগে গেল এই কথা শুনে...


Read More...

কোর্টে ডিভোর্স কেসের মামলা চলছে। সমস্যা বাধলো ৫ বছরের বাচ্চা টাকে নিয়ে। এটা নিয়ে যখন কথা উঠলো তখন মা টা হঠাৎ দাঁড়িয়ে উঠে চিল্লিয়ে বলল
“ইয়র অনার...আমি বাচ্চাটাকে অমানুষিক পরিশ্রম আর কষ্ট সহ্য করে পৃথিবীতে এনেছি। বাচ্চা অবশ্যই আমার কাছে থাকবে।”
বিচারক বাবা টার দিকে তাকিয়ে বলল “আপনার কি কিছু বলার আছে??”
বাবা টা কিছুক্ষণ বসে থাকলো......তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে বলল


Read More...

অতি আধুনিক মা তার টিনএজ মেয়ে কে বুঝাচ্ছে-

মাঃ যদি কোন ছেলে তোমার বুকে হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘don’t’। আর যদি কেউ তোমার নিচে (?) হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘stop’।

কিছুদিন পর……

Read More...

রাত হল ব্রা খোলো, দুদু ধরে টেপ রে
চিত করে ধন ভরে জোরে জোরে ঠেলো রে।

টিপে দুধ, জোরে চুদ, ওই মাল পরল
এই বার এই বার ভোদা বুঝি ফাটল।

Read More...

আমেরিকা প্রবাসী চীনা দম্পতি গিয়েছে আদালতে divorce এর জন্য।
জজ : Why u want to divorse her?

Read More...

এক লোক বাজারে গেছে মুরগী কিনতে।

সে মুরগিওয়ালাকে বলল একটা রাজশাহীর মুরগী দেও। মুরগিওয়ালা একটা মুরগি দিয়া বলল এই নেন রাজশাহীর মুরগি।

লোকটা মুরগীর পাছা দেখে কইলো। অই মিয়া এইডা তো রাজশাহীর মুরগী না। এটা যশোর এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা অনেক খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন রাজশাহীর মুরগি।

Read More...

আপনি সুন্দর একটি লাল গাড়ী নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন

পথে এক সুন্দরী মহিলা লিফট চাইল,আপনি খুশী মনে লিফট দিলেন,

রাস্তায় বেচারী মহিলার শরীর খারাপ হল,

শুরু হল আপনার টেনশন

যাক এত সুন্দর গাড়ীকে এম্বুলেন্স বানিয়ে মহিলারে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।

Read More...

গার্ল ফ্রেন্ডঃ গত রাতে আমি তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি
বয়ফ্রেন্ড( ভীষণ উত্তেজিত): আমি কি করছি তোমার স্বপ্নে এসে?

Read More...

দুই প্রেমিক-প্রেমিকা ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে। উঁচু পাহাড় থেকে প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল, কিন্তু মেয়েটি দিল না। সে চোখ বন্ধ করে বলল, ভালোবাসা অন্ধ।তাই সে পাহাড়ের উপর আস্তে করে
পড়ে রইল।
.
.

Read More...

হাবলুঃ "ডাক্তার, আমার পেটে গ্যাসের অনেক সমস্যা।কিন্তু ভালো দিক এই যে আমারগ্যাসের গন্ধ ও হয় না, আওয়াজ ও হয় না। এখানে বসে আমি ১৫-২০ বার গ্যাস ছেড়েছি; কিন্তু কেউ টের ই পায় নি"
ডাক্তারঃ "এই ওষুধটা খান, আর এক সপ্তাহ পরে আসবেন"

Read More...

এক বুড়ো বাপ জেলে তার ছেলেকে চিঠি লিখছেঃ আমার অনেক বয়স হয়েছে। এতো বড় ক্ষেত খুদে আলুর চাষ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। তুই থাকলে একটু সাহায্য করতি।

Read More...

এক ব্যক্তি গ্রামের সব সিগারেট খোর লোককে একত্র করলেন সিগারেটের অপকারিতা সর্ম্পকে বুঝানোর জন্য ।
প্রথমে তিনি একটি কাঁচের জারে সিগারেটের ধোঁয়া ঢুকালেন।তারপর ঐ জারে একটি পোকা ঢুকিয়ে দিলেন।

Read More...

এক অফিসের তিনজন কর্মকর্তা দুপুরে খাবার টেবিলে বসে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু কাকতালীয় ঘটনা নিয়ে আলোচনা করছেন।
১ম ব্যক্তিঃ আমার বউ একবার "দুই শহর" বইটি পডতেছিল এবং তারপর সে আমাদের জমজ বাচচা উপহার দেয়।

Read More...

অফিসের বস মিটিংয়ে ব্যাস্ত ওবস্থায় চাকরকেবলল চা দিতে।
চাকর চা নিয়ে আসছে হটাত বস দেখল চাকর চায়ের ভিতরএকটা আঙ্গুল ডুবিয়ে রেখেছে।
বস মহা ব্যাস্ততার ভিতর ভুলে গিয়ে চা খেয়ে নিল।

Read More...

এক বাংলাদেশী আমেরিকাতে গিয়া এক সকালে ব্রেড আর জেলি মাখায়া মনের সুখে খাচ্ছে . . . তখন সেখানে এক আমেরিকান চুইংগাম চাবাইতে চাবাইতে তার কাছে এসে আজাইরা আলাপ শুরু করলো . . . আমেরিকানঃ তোমরা কি বাংলাদেশে ব্রেড এর সাথে জেলি খেয়ে মজা পাও ?? বাংলাদেশীঃ অবশ্যই !! আমেরিকান আবার

Read More...

ছেলে : মা, পরীরা কি উড়তে পারে?
মা : পারে।

Read More...

অনেক দিন ছোট একটা বাড়িতে গাদাগাদি করে থাকর পর এক পরিবার নতুন বড় একটা বাড়িতে গিয়ে উঠল।

নতুন বাড়ি কেমন লাগছে জানতে চাইলে পরিবারের ছোট ছেলেটি বলল, চমৎকার!

Read More...

ভীষণ দুষ্টুমি করে বলে বাবা তাঁর দুই ছেলেকে ডেকে নিয়ে বললেন,

‘এখন থেকে যে মায়ের সব কথা শুনবে, সপ্তাহ শেষে তার জন্য একটা পুরস্কার থাকবে।’

Read More...

ছেলে : মা অন্ধকারে কি দেখা যা?
মা : না তো, কেন?


Read More...

এক লোক ট্রাফিক পুলিশকে জিজ্ঞেস করল- ভাইজান টঙ্গী যামু কোন বাসে?
পুলিশঃ ৩৪ নম্বর বাসে।


Read More...

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে মাত্র। বাসে এক যাত্রীর কাছে কন্টেক্টার জানতে চাইল- কোথায় যাবে? লোকটি বলল "পাক মটর যাব"। অমনি শুরু হল চারদিক থেকে কিল ঘুষি।




Read More...

পাগলা গারদে এক পাগল ছাদের সাথে দড়ি লাগিয়ে ঝুলছিল
এটা দেখে ডাক্তার বললঃ ওই তুই ঝুলিস কেন X((

Read More...
Total Views: